Home / বিনোদন / চলচ্চিত্রে আসার অনুপ্রেরণা চিত্রনায়িকা শাবনূর ।

চলচ্চিত্রে আসার অনুপ্রেরণা চিত্রনায়িকা শাবনূর ।

সাইমুর রহমান: মডেল ও অভিনেতা সৌরভ ফারসী। তিনি ১৯৯৩ সালের ৩০শে আগষ্ট সিরাজগঞ্জ জেলার অন্তরগত সাহাজাদপুর থানার চিতুলিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। বাবা গোলাম মোস্তাফা ও মা লাইলী বেগম। পরিবারে আছেন পাঁচ ভাই ও দুই বোন, ভাইদের মধ্যে সৌরভ ফারসী বড়। নিজ গ্রামেই মাধ্যমিক পড়াশোনা শেষ করে ভর্তি হন ঢাকার তিতুমীর কলেজে। সেখান থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ হতে অনার্স পাশ করেন এবং একই বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি লাভ করেন।

সৌরভ ফারসী তিতুমীর কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থাতেই দেশ নাটক থিয়েটারে যুক্ত হন। আর সেখান থেকেই তার অভিনয় জীবনের শুরু। তিনি এ যাবৎকালে ৩টি বিজ্ঞাপন চিত্রে কাজ করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ড নেসলে, কোকাকোলার মতো আন্তর্জাতিক মানের পণ্যের মডেল হয়ে। টিভি সিরিয়াল করেছেন ৩টি তার মধ্যে প্রচারিত হচ্ছে ‘অনাকাক্ষিত সত্য’। তিনি ইতিমধ্যেই ত্রিশ এর অধিক স্বল্পদৈর্ঘ্যে কাজ করেছেন। মিউজিক্যাল ফিল্ম ৬টি এবং ওয়েব সিরিজ চলছে ২টি।

হেমায়েত উদ্দিন বীর বিক্রম এর জীবন নিয়ে নির্মিত আকাশ-শিমুলের পরিচালনায় ‘পথে পথে যুদ্ধ’ সিনেমার মাধ্যমে সৌরভ ফারসীর চলচ্চিত্রে যদিও অভিষেক ঘটে, হেমায়ত উদ্দিনের মৃত্যুতে চলচ্চিত্রটির বাকি অংশের কাজ থেমে আছে। তবুও অভিনয় পাগল এ মানুষটি বসে নেই।

সৌরভ ফারসী নতুন একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন যার নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে চলচ্চিত্রটির নাম ঘোষনা করা হবে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন পলাশ খান ও সহকারী পরিচালক এম.এস পলাশ। চলচ্চিত্রটির কাহিনী সংলাপ লিখেছে সৌরভ ফারসী নিজেই। এটি একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। সিনেমাটিতে ৬টি আধুনিক গান রয়েছে যেখানে এসডি রুবেল এর মতো জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী কন্ঠ দিয়েছেন।
চলচ্চিত্রটির পরিচালক পলাশ খান জানান, এটি একটি ভিন্ন ধারার গল্প, চলচ্চিত্র জগতে এটি নতুন ধারার জন্ম দিবে। সিনেমাটিতে নতুন নতুন কিছু চমক দেখতে পারেবে দর্শকরা। আগামী ১০ তারিখে গাইবান্ধা সরকারী কলেজে শুটিং শুরু হতে যাচ্ছে। চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন সৌরভ ফারসী।

সৌরভ ফারসীর মিডিয়াতে আসার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি যখন স্কুলে পড়ি তখনই আমি একটা মানুষের প্রেমে পরে যাই। তার চলাফেরা, আচার-আচরন ও অভিনয় দেখে আমি মুগ্ধ। যতই দেখতাম ততই মুগ্ধ হতাম। আর মনে মনে ভাবতাম কিভাবে তাকে পাব। এই মানুষটাকে পেতে আমাকে কি কি করতে হবে। কোথায় যেতে হবে, কোথায় গেলে তাকে পাব প্রশ্ন করতাম নিজের কাছে নিজেই। কত কিছুই না ভাবতাম মনে মনে। ভয়ে, লজ্জায় কাউকে কিছু বলতেও পারতাম না। নিজের বন্ধু বান্ধবের কাছে বলতে সাহস পেতাম না।

মানুষটি আর কেউ নয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী চিত্রনায়িকা শাবনুর আপা। যদিও সে আমার অনেক সিনিয়র। এতোটাই প্রেমে পাগল ছিলাম ভুলে গেছি তার বয়স আর আমার বয়সের সীমা। যে শুধু এ কথাই বলব তিনি শুধু আমার অনুপ্রেরনায় নয়, আমার চলচ্চিত্রের আসার মূল গল্পই শাবনুর আপা। যদিও তার সাথে আমার দেখা হয়নি তবে সংবাদপত্র ও আপনাদের মাধ্যমে আপাকে আমার পক্ষ থেকে সশস্ত্র সালাম ও শ্রদ্ধা। ভালো থাকুক শাবনুর আপা।

About Saimur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *