Home / ভিডিও / মাছ ধরতে গিয়ে মেয়ে দুটি এ কি কান্ড ঘটালো ?(ভিডিও সহ )

মাছ ধরতে গিয়ে মেয়ে দুটি এ কি কান্ড ঘটালো ?(ভিডিও সহ )

কথায় বলে— মাছে ভাতে বাঙালি।

কবি ঈশ্বর গুপ্ত আরেক ধাপ এগিয়ে বলেন, ‘ভাত-মাছ খেয়ে বাঁচে বাঙ্গালি সকল/ ধানে ভরা ভূমি তাই মাছ ভরা জল।’ শুধু বাঙালিই নয়, পৃথিবীর আরো অনেকেই কিন্তু মাছ খেয়ে বেঁচে আছে। ইংরেজরা মাথাপিছু বছরে মাছ খায় ৪৯ পাউন্ড বা প্রায় আধমণ আর ডেনমার্কের মানুষ ২৪ পাউন্ড। চীনা-জাপানিরাও কম যায় না। সে তুলনায় বাঙালিরা খায় মাত্র ৯ পাউন্ড। অথচ একমাত্র বাঙালিরই ‘মছলী খোর’ নাম ভূভারতে ছড়িয়ে গেছে সঙ্গে তার মৎস্যপ্রীতি নিয়ে দেদার বদ রসিকতা।

বাঙালির ‘মাছে-ভাতে উত্পাত’-এর শুরু কবে, তা সঠিক বলা মুশকিল। তবে ১০ কি ১১ শতকে বাংলার অন্যতম প্রধান স্মৃতিকার ভবদেব ভট্ট ছুটে এসেছিলেন বাঙালির বিশেষ করে বাঙালি ব্রাহ্মণের মাছের থালা বাঁচাতে। আসরে নেমে ভবদেব ভুলেও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার পথে হাঁটলেন না। তিনি লোকাচার তথা দেশাচারের মোক্ষম যুক্তি দিয়ে বাঘা বাঘা অবাঙালি স্মৃতিকারের মুখ বন্ধ করে দিলেন। বাঙালির মাছ খাওয়ার সপক্ষে তার প্রধান যুক্তি ছিল— বাংলার মাটি, বাংলার জল বাঙালিকে যে খাদ্য সরবরাহ করে, সেটাই স্বাভাবিক আহার্য। এমন আহার্য গ্রহণই তার স্বাভাবিক ধর্ম। উল্লেখ্য, ভবদেব শুধু সাধারণ বাঙালিরই নয়, ব্রাহ্মণেরও মত্স্যাহার সমর্থন করেছিলেন।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

ব্রেকিং নিউজঃ অবশেষে নিজ মুখে খুশির খবর দিলেন তামিম ইকবাল!

নিদাহাস ট্রফির পর পাকিস্তান সুপার লিগে খেলতে সেখান থেকেই দুবাই হয়ে পাকিস্তানের বিমান ধরেছিলেন তামিম ইকবাল।সেখানেই নিজ দল পেশোয়ার জালমির হয়ে এলিমিনেটর ম্যাচ খেলতে যেয়ে হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করেন টাইগার এই ওপেনার। চিকিৎসাতে

ধরা পড়ে পুরানো চোট। সেই চোটেই দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে তামিমকে। তবে এই সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় দলের কোন সূচি না থাকাতেই নিজেকে প্রস্তুত করতে দীর্ঘ সময় পাওয়াতেই বেশ স্বস্তিতে তামিম। সদ্যই শেষ হওয়া পাকিস্তান

সুপার লিগে পেশোয়ার জালমির হয়ে এলিমিনেটর ম্যাচ খেলার সময় হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করলে সেখানে থেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে যান তামিম ইকবাল। পারেন চোট পেয়েছেন হাঁটুতে করা আগের অপারেশনের

জায়গাতেই। এর মধ্যে অবশ্য ফিজিওর পরামর্শ অনুযায়ী পুনর্বাসন চলালেও পুরোদমে মাঠে ফিরতে এখনো ৪-৫ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হচ্ছে বামহাতি এই ব্যাটসম্যানকে।

About Admin Rafi

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *