Home / ভিডিও / দেখুন ১১ বছরের মেয়ে কাজলের খেলা সাথী ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ কিং কোবরা !! ভিডিওটি দেখলে গা শিউরে উঠবে !!

দেখুন ১১ বছরের মেয়ে কাজলের খেলা সাথী ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ কিং কোবরা !! ভিডিওটি দেখলে গা শিউরে উঠবে !!

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর । এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

যে গুরুর নির্দেশে মামলা চালিয়ে গেছে বিষ্ণোই সম্প্রদায়

কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার দায়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সালমান খান। ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শ্যুটিং-এর ফাঁকে যোধপুরে দু’টি কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন তিনি।

বিপন্নপ্রায় এই হরিণ মারার ফলে যোধপুরের বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের লোকজন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ৫১ নং ধারায় মামলা করেন বলিউড অভিনেতার বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের এই সম্প্রদায়ের কাছে কৃষ্ণসার হরিণের গুরুত্ব কেবলমাত্র বন্যপ্রাণী হিসেবেই নয়; রয়েছে ধর্মীয় মাহাত্মও।

কথিত আছে, রাজস্থানের পিপাসার গ্রামের এক রাজ পরিবারে ১৪৫১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জাম্বেশ্বর নামে এক ব্যক্তি। তিনিই পরবর্তীকাল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এই বিষ্ণোই সম্প্রদায়। বিষ্ণুর উপাসনা করতেন জাম্বেশ্বর। যে কারণে সম্প্রদায়ের নাম হয় ‘বিষ্ণোই’।

গুরু জাম্বেশ্বর তার ভক্তদের বলেছিলেন, প্রকৃতিকে বাঁচানোর কথা। সুস্থভাবে বাঁচতে হলে যে পশু-পাখি-গাছপালারও প্রয়োজন রয়েছে, সেটাই ছিল তার মূল বক্তব্য।

মোট ২৯টি নিয়মের কথা বলে গিয়েছিলেন গুরু জাম্বেশ্বর। যার প্রথম আটটিতে বলা হয়েছে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখার কথা। পরের সাতটি বিধি হলো সামাজিক ব্যবহার সংক্রান্ত। পরের ১০টি ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে, এবং শেষ চারটিতে রয়েছে প্রতিদিনের পূজার নিয়মাবলী।

কারো কারো মতে, গুরু জাম্বেশ্বরের এই ২৯টি নিয়মাবলীর জন্যই সম্প্রদায়ের নাম হয়েছে বিষ্ণোই; কেননা তাতে রয়েছে বিশ (২০) ও নয় (৯)।

কথিত আছে, যদুবংশেরর একটি গোষ্ঠী ছিলো বৃষ্ণী। যার উত্তরপুরুষ ছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। মহাভারতের মুষলপর্বে যদুবংশ শেষ হয়ে যাওয়ার উল্লেখ থাকলেও, তাদের বংশধরেরা রয়েছেন এখনো। বৃষ্ণী যে অপভ্রংশ হয়ে বিষ্ণোই হয়নি, সেটাও হলফ করে বলা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, ১৭৩০ সালে যোধপুরের মহারাজা অভয় সিংহের সেনাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের অমৃতা দেবী। ওই অঞ্চলের কিছু গাছ কাটতে এসেছিল সেনারা।

কিন্তু, অমৃতা দেবীসহ গ্রামবাসীরা তার প্রতিরোধ করেন। গুরু জাম্বেশ্বরের শেখানো বাণী অনুয়ায়ী প্রকৃতিকে বাঁচাতে গিয়ে, সেই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছিলন তিনশ ৬২ জন বিষ্ণোই। পরবর্তীকালে, এমনই গাছ বাঁচাও আন্দোলন হয় ভারতের উত্তরাখণ্ডে, যা ‘চিপকো আন্দোলন’ নামে পরিচিত।

সালমানও যখন কৃষ্ণসার হরিণ দু’টি হত্যা করেন, তাতেও আঘাত লাগে ওই সম্প্রদায়ের লোকজনের। জনপ্রিয় কিংবা প্রভাবশালী ভেবে পিছু না হটে ২০ বছর ধরে তারা চালিয়ে যান মামলা। অবশেষে ফেঁসে যান সালমান। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা থাকলেও বিচারক সকালেই সাফ বলে দিয়েছেন শনিবার তিনি রায় দেবেন।

About Admin Rafi

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *