Home / ভিডিও / শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে হলুদ রঙের একটি জলকামান ফেলেই…পড়ুন বিস্তারিত

শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে হলুদ রঙের একটি জলকামান ফেলেই…পড়ুন বিস্তারিত

জলকামান ফেলে পালালো- সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গত কিছু দিন ধরেই মহাসড়ক সংলগ্ন জাবির প্রধান ফটক ও জয় বাংলা গেটে সতর্ক অবস্থানে ছিলো সাভার ও আশুলিয়া থানার দুটি ইউনিটের পুলিশ।

কিন্তু আজ সকালে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে জাবির প্রধান গেট দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে উঠে এলে ভড়কে যায় তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে হলুদ রঙের একটি জলকামান ফেলেই ঘটনাস্থল থেকে দ্রুতবেগে জাবির জয় বাংলা গেট হয়ে পালিয়ে যায় পুলিশ।

কিছুক্ষণ পর কিছু শিক্ষার্থী কোটা সংস্কারের স্লোগান দিয়ে জলকামানটির চাকার হাওয়া ছেড়ে দেয়।
আরো পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে বিভ্রান্তিঃ নতুন খবর দিলেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি সেদিন যা বলেছি, আজও একই কথা বলবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পাঠিয়েছিলেন কোটা ব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার জন্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য মতলবি গ্রুপ আছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায় আস্থা রাখুন। কোটা আন্দোলন যেন বিভক্তির রাজনীতির শিকার না হয়। আমরা এর মধ্যে খবর পেয়েছি, কিভাবে এ আন্দোলনকে কারও মুক্তির আন্দোলনে পরিণত করা যায়, তার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নেতৃবৃন্দকে বলবো দায়িত্বশীল আচরণ করতে। আর যারা আন্দোলন করছে তারাও যেন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে বিশ্বাস রাখে।

বুধবার সকালে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল বলেন, আমি সেই বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক ও ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তারা আমাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সুর মিলিয়েছিল। এরপর কী হলো? কেন আবারও তারা আন্দোলনে আছে সেটি আমার জানা নেই।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার পার্টির সেক্রেটারিকে পাঠিয়েছিলেন, এটাই সরকারের বক্তব্য। বিষয়টা নিয়ে চারপাশে বিভিন্ন কথা হচ্ছে, কেউ ব্যক্তিগত কথা বলতেই পারেন। তিনি মন্ত্রী হতে পারেন, বড় নেতা হতে পারেন। সেটি তাদের নিজস্ব বক্তব্য। আমি যেটি বলেছি সেটিই সরকারের বক্তব্য।

সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা কোটা আন্দোলন করছে, তারা যেন এ আন্দোলনেই থাকে। কারও খেলার স্বীকার না হয়।

About Admin Rafi

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *