Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্রগামী ইমিরেটসে পাল্টে যাচ্ছেন পাইলট, ক্রু

যুক্তরাষ্ট্রগামী ইমিরেটসে পাল্টে যাচ্ছেন পাইলট, ক্রু

51514_emiratesযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘মুসলিম বিরোধী’ নির্বাহী আদেশের ফলে পাল্টে যাচ্ছে বিমান সংস্থা এমিরেটসসের পাইলট ও কেবিন ক্রু। যুক্তরাষ্ট্রগামী এ বিমান সংস্থায় এ পরিবর্তন আসছে। দুবাইভিত্তিক এই বিমান সংস্থার প্রতিদিন ১১টি ফ্লাইট যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। রোববার তাদের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, সর্বশেষ পরিস্থিতি মেনে চলতে তারা তাদের এ পরিবর্তন আনছেন। উল্লেখ্য, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের শরণার্থী ও অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে গত শুক্রবার সই করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তারপর থেকে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স রিপোর্ট করেছে যে, ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে নিষিদ্ধ সাতটি দেশের পাইলট ও ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরাও। কিন্তু সব ফ্লাইটে যেসব ক্রু থাকেন তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। ফলে তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লাইটে অবস্থান করতে হলে অবশ্যই তাদেরকে বিশেষ ভিসা নিতে হবে। কিন্তু সেই ভিসা দেয়ার কার্যক্রম একেবারেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে কমপক্ষে ৯০ দিন। এর ফলে শুধু এমিরেটস নয়, মধ্যপ্রাচ্যের আরও যেসব ফ্লাইট যুক্তরাষ্ট্রে যায় তারাও এর আওতায় পড়বে। তবে এই নিষেধাজ্ঞায় এমিরেটসের কর্মকাণ্ডের ওপর খুব কম প্রভাব পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন এ সংস্থার একজন মুখপাত্র। এ সংস্থায় মোট রয়েছেন ২৩ হাজারের বেশি অ্যাটেনডেন্ট ও প্রায় ৪ হাজার পাইলট। অন্যদিকে আবু ধাবির ইতিহাদ এয়ারওয়েজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, তারা এ বিষয়ে এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। জার্মানির লুফথানসা নিশ্চিত করেছে যে, তাদের বিমান সংস্থা ও যাত্রীদেরকে নতুন আইন অনুসরণ করতে হবে। তবে আলাদাভাবে ইতিহাদ বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির কারণে বিপুল সংখ্যক যাত্রী সমস্যায় পড়েছেন। তারা এমন যাত্রীদের টিকিটের অর্থ ফেরত দিচ্ছে অথবা ফ্লাইট পরিবর্তন করছে। বিশ্বব্যাপী বিমান সংস্থাগুলোর সংগঠন আইএটিএ। এ সংগঠন বিশ্বের ২৬৫টি বিমান সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করে। তারা সোমবার বলেছে, আগেভাগে কোনো সমন্বয় বা সতর্কতা ছাড়াই প্রশাসন থেকে ওই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এতে ভ্রমণকারীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে দ্বিধাবিভক্তি। এ ছাড়া এ সংগঠনের সদস্যরাও সংশয়ে পড়েছে। সংগঠন থেকে বলা হয়েছে, এখন এ নির্দেশের ফলে বিমান সংস্থাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। প্রয়োজনীয় কি কি পদক্ষেপ আমাদেরকে মানতে হবে তা বলা হয় নি। নিয়ম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বাড়ছে খরচ। যারা ওই নিয়মের বাইরে যাবে তাদেরকে আবার বড় অংকের জরিমানার হুমকি রয়েছে।

About Saimur Rahman

Leave a Reply