Breaking News
Home / এক্সক্লুসিভ / ১০ মে থেকে শপিংমল-দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার

১০ মে থেকে শপিংমল-দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার

রোজার ঈদ সামনে রেখে আসছে ১০ মে থেকে দোকান-পাট ও শপিং মল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সব বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের আজ সোমবার এ নির্দেশনা পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
নির্দেশনায় বলা হয়, হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত সতর্কতা প্রয়োগ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। তবে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে।

বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহন অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

********************
রাজধানীর ১৭০ এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত

রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই এখন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাজধানীর ১৭০টি এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

গতকাল ৩ মে পর্যন্ত রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী রাজারবাগ এলাকায়। এ এলাকার ১৬৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় সবাই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রান্ত পুলিশ সদস্য। এরপর কাকরাইলে ১৫০ জন এবং যাত্রাবাড়ীতে ১০১ জন।
রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রয়েছে পুরান ঢাকায়। লালবাগে ৭৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা গেছে। এছাড়া বংশালে ৫৮, চকবাজারে ৩২, গেন্ডারিয়ায় ৪৮, মিটফোর্ডে ৩৮, ওয়ারিতে ৪২ এবং চানখাঁরপুলে ৩১ জন করে করোনা রোগী রয়েছে।
মিরপুর-১ নম্বরে ৩২, ২ নম্বরে দুইজন, ৬ নম্বরে ৯ জন, ১০ নম্বরে ১৮ জন, ১১ নম্বরে ৩২ জন, ১২ নম্বরে ১৮ জন, ১৩ নম্বরে ৩ জন এবং ১৪ নম্বরে ৩৭ জন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এছাড়া বাড্ডায় ৪১, বাসাবোতে ৩৪, ধানমণ্ডিতে ৩৮, হাজারীবাগে ৩৮, খিলগাঁওয়ে ৩৯, মালিবাগে ৬২, গুলশানে ৩২, মগবাজারে ৪৩, জুরাইনে ৩২, মহাখালীতে ৭১, মোহাম্মদপুরে ৮১, মুগদায় ৮০, পুরানা পল্টনে ২৭, নয়া পল্টনে ২৯, শাহবাগ এলাকায় ৫১, শ্যামলীতে ২৯, তেজগাঁওয়ে ৫৫, স্বামীবাগে ৩৬ ও উত্তরায় ৬৩ জনসহ প্রায় সব এলাকাতেই অল্প সংখ্যক হলেও করোনা রোগী রয়েছে।

About Saimur Rahman

Leave a Reply