Breaking News
Home / এক্সক্লুসিভ / জানেন কি গয়না থেকেও ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস?

জানেন কি গয়না থেকেও ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস?

চীনের উহান প্রদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের ভয়াল গ্রাসে রীতিমতো আতঙ্কিত পুরো বিশ্ব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের জীবাণু লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার গয়নাতেও!

মডেল- দেবী
মডেল- দেবী

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আংটি,  ভেতরে জমে থাকা জীবাণু বের করা যায় না। কখনো কখনো সাবানও থেকে যায় আংটির ফাঁকে। খাওয়ার সময় যা পেটে চলে যেতে পারে। যা ডেকে আনতে পারে বড় ধরনের বিপদ। ফলে আপনার পছন্দের আংটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার মৃত্যুর কারণ।শুধু আংটি নয়, কানের দুল, গলার নেকলেস একইভাবে তাবিজ-কবজ থেকেও ছড়াতে পারে এই সংক্রমণ। এই তালিকায় রয়েছে আপনার প্রিয় হাতঘড়িটাও।এ কারণে চিকিৎসকরা বলছেন, যখন পুরো বিশ্ব করোনায় আক্রান্ত, যেখান থেকে খুশি সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে গয়না-আংটি, হাতঘড়ি, তাবিজ-কবজ এগুলো না পরাই ভালো।এদিকে, বিশেষজ্ঞদের দাবি, করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ আংটির বিভিন্ন ধাতু, রত্নে কতটা সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, সে ব্যাপারে সর্বজনগ্রাহ্য গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। কিন্তু সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকেই বলা যায়, ধাতব আংটি নেকলেসে যথেষ্ট পরিমাণে জমে থাকে ধুলো ও বিভিন্ন ধরনের জীবাণু।যারা গ্লাভস পরে বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না, তাদের হাতের আঙুলে থাকা আংটিতে এই পরিস্থিতিতে করোনার মতো জীবাণু ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট। তাই সেই আংটি পরা হাতে আমরা যদি খাই বা বাড়ির লোকজনকে খাবার পরিবেশন করি বা রান্নাবান্না করি, তাহলে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।করোনা মোকাবিলায় হাত ধোয়ার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক সময় ভালো করে হাত ধোয়ার পরও আঙুলের আংটি পরিষ্কার হয় না। তাতে জীবাণু জমে থাকতে পারে। তা থেকেই সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। একইরকম হয় ঘড়ির ক্ষেত্রেও। তাই এই সংকটপূর্ণ এই সময়ে এসব এড়িয়ে চলাই ভালো।

 

**********

আরও পড়ুন

*********

করোনা পরিস্থিতিতে লিফট ও সিঁড়ি ব্যবহারে নিয়মাবলী

কোভিড-19 করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভ‍াবে মহামারি চলছে। সারা বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলছে লকডাউন। করোনার বিস্তার ঠেকানোর একটা পদক্ষেপ হিসাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বেচ্ছায় নিজেকে আলাদা করে রাখা অর্থাৎ সেলফ আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কোভিড-19 মানুষের মধ্যে এতটাই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে যে, বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে নিজেকে বাঁচাতে সবরকম ব্যবস্থা নিচ্ছেন সবাই। প্রত্যেকেই সংক্রমণ এড়াতে প্রতিটি ছোট ছোট বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করছেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং ফেরার পর জামা কাপড় পরিবর্তন করে তা ধুয়ে ফেলা ও হাত, পা, মুখ পরিষ্কার করা, গোসল করে নেয়া ইত্যাদি নিয়ম মেনে চলছেন সবাই। পাশাপাশি বিল্ডিংয়ের লিফট ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিফটের বোতাম থেকেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। সাবধান হতে হবে।যদি কোনও আক্রান্ত ব্যক্তি তার আঙুল দিয়ে লিফটের বোতাম প্রেস করে তাহলে তার শরীরে থাকা ভাইরাস বোতামের গায়ে থেকে যায়। তারপরে যদি কোনও সুস্থ ব্যক্তি সেই বোতাম প্রেস করেন তাহলে ভাইরাসটি তার শরীরে ঢুকে যায়। এভাবেই লিফট থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। দেখে নিন লিফট থেকে করোনা বিস্তার ঠেকাতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেন। লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে সাবধানতা মেনে চলবেন…১) লিফটে ঢোকার আগে অবশ্যই মুখে মাস্ক পরে থাকবেন। ২) লিফটের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াবেন না। ৩) লিফটের বোতাম চাপার ক্ষেত্রে টুথপিক, ইয়ারবাড বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন। ৪) যে জিনিসটি বোতাম চাপার ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন সেটি যাতে আপনার শরীরের কোনও অংশে না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ৫) এরপর সেটি ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিনে ফেলে দিন। ৬) তারপর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন অথবা স্যানিটাইজার লাগান। লিফট ব্যবহারের পাশাপাশি আপনি যদি সিঁড়ি ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম বিধি মেনে চলা আবশ্যক।

সিঁড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে সিঁড়ির রেলিংগুলি যেন আপনার দ্বারা কোনওভাবে স্পর্শ না হয়। কারণ, অজান্তে কোনও কভিড-19 দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তি রেলিং স্পর্শ করে থাকলে তা থেকে আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন। ভুলবশত আপনি যদি রেলিং স্পর্শ করেন তবে অন্য কোথাও স্পর্শ না করে তৎক্ষণাৎ সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

About Saimur Rahman

Leave a Reply