Breaking News
Home / এক্সক্লুসিভ / গাজীপুরে করোনা প্রতিরোধে প্রতিবন্ধীদের মাঝে যুবলীগের,নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরন

গাজীপুরে করোনা প্রতিরোধে প্রতিবন্ধীদের মাঝে যুবলীগের,নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরন

গাজীপুরে করোনা প্রতিরোধে প্রতিবন্ধীদের মাঝে যুবলীগের,নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান
শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল এর উদ্যোগে চলমান কোভিড-১৯ করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে মাহে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দুধ , ডিম, শ্রীপুর ধমদমা গ্রামে নিজ খামারের মাছ বিতরন করেন যুবলীগ নেতা মো: আকরাম হোসেন ।

বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত , সুবিধাবঞ্চিত, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে যুবলীগ কর্মীদের দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক অালহাজ্ব মাইনুল হাসান খান নিখিল। যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটা স্বপ্ন নিয়ে। আর সেটা হল বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন। এটা বাস্তবায়ন ও মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে যুবলীগের জন্ম।

উল্লেখ্য যে,করোনা মহামারী লকডাউন অবস্থাতে অসহায় মানুষের পাশে দেশের বিভিন্ন জেলায়, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা অসহায়,দুস্তদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি দের খোঁজ খবর নিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সহায়তার নির্দেশ প্রদান করতে বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

************
আরও পড়ুন
*************
জীবন-জীবিকা অব্যাহত রাখতেই ঘোষিত বন্ধ শিথিল হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষ যেন তার জীবন-জীবিকা চালাতে পারে সেজন্যই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষিত বন্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ শিথিল করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করার চেষ্টা করছি। কারণ, এটা রোজার মাস।
আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসুখ-বিসুখ হলে মনে সাহস রাখতে হবে। কেবল ডাক্তার এবং ওষুধেই রোগ ভাল হবে না। মনের জোর থেকে, আত্মবিশ্বাস থেকেও কিন্তু অনেকটা সুস্থ হওয়া যায়।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেসব নির্দেশনা দিয়েছে- পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, এক জায়গায় জটলা না করা- যাতে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে, সবাইকেই সেটা মেনে চলতে হবে।

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় দেশের ৫৭টি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং ব্যক্তি বিশেষের পক্ষ থেকে প্রদান করা অনুদানের অর্থ গ্রহণের সময় প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন তিনি।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) সঙ্গে সংযুক্ত হন। পিএমওতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস তার পক্ষে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন।

সবাইকে মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার কষ্টের বিষয়টি উপলদ্ধি করেই সরকার ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর যেহেতু বোরো ধান উঠেছে তাই খাবারের সেই কষ্টটা মানুষের হওয়ার কথা নয়।

তিনি এ সময় পারস্পরিক সহমর্মিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে যারা বেশি ধান পেয়েছেন তারা কম ধান পাওয়া লোকজনকে যেন সাহায্য করেন, সেই তাগিদ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। এই কথাটা চিন্তা করেই সবাইকে কাজ করতে হবে।

মানুষ মাঝে মাঝে এমন ভীত হয়ে যায় যে, অনেক অমানবিক আচরণও করে ফেলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন পরিবারের সদস্য যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার কি অসুখ হলো না জেনেই তাকে দূরে ঠেলে দেয়াটা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, নিজেকে সুরক্ষিত রেখে হাতে হ্যান্ড গ্লাভস এবং মুখে মাস্ক ব্যবহার করে পরিবারকে সহযোগিতা করলে, এতে খুব একটা ক্ষতির কারণ হবে বলে আমি মনে করি না। কিন্তু সন্তান হয়ে পিতাকে দূর করে দেয়া বা স্ত্রী হয়ে স্বামীকে দূর করে দেয়া বা মাকে দূর করে দেয়া-এটা কখনোই কল্যাণকর নয়।

তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি সংস্থা তথা পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা লাশ দাফন, রোগী টানা থেকে শুরু করে সবধরনের কাজই করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে আমরা ছাত্রলীগের কর্মীদেরও দেখেছি। অনেক ক্ষেত্রেই যেখানে লাশ দাফন করার কেউ নেই, তারা নিজেরা গিয়ে সেখানে লাশ দাফন করে দিচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই যে মানবিক গুণগুলো, এটাই হচ্ছে মানুষত্ব। আর এটাই আমাদের বাঙালির সব থেকে বড় পরিচয়। এই চরিত্রটাই সবার থাকা দরকার বলে আমি মনে করি।

এ সময় তিনি কর্তব্য পালন করতে গিয়ে মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদের রুহের মাগফিরাতও কামনা করেন।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দেশে যেন কোনো খাদ্য সংকট না হয়, সেজন্য তার সরকার বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ব্যাপক ধান উৎপাদন হয়েছে, খাদ্যের কোন অভাব নেই। সেইসঙ্গে সরকার ব্যাপকভাবে ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারিভাবে যেমন ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে তেমনি দলীয় এবং ব্যক্তিগত পর্যায়েও করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ যে যেমনভাবে পারছে অপরকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের বিরাট একটা আন্তরিকতা, সবাই সবার সাহায্য-সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

তিনি পুনরায় ফসল উৎপাদন বাড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, কারো এতটুকু জমিও যেন খালি পড়ে না থাকে, যে যা পারেন তাই উৎপাদন করবেন। যাতে আগামীতে কখনও খাবারের কোনো অভাব না হয়। কোন ধরনের দুর্ভিক্ষ যাতে বাংলাদেশে আসতে না পারে বরং প্রয়োজনে যেন আমরা অন্যকে সহযোগিতা করতে পারি।

এক জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ের বোরো ধান ঘরে তোলার পর সেই জমিতে আর কি কি ফসল উৎপাদন করা যায় তা খতিয়ে দেখার জন্য তিনি কৃষিমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি এ সময় টেলভিশনের মাধ্যমে পাঠ্যক্রম পরিচালনা করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমাদের সংসদ টিভির মাধ্যমে শিক্ষার যে একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ক্লাসগুলো যে প্রচার করা হচ্ছে তাতে কিছুটা হলেও ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ার দিকে মনযোগী থাকতে পারছে। কারণ, ঘরে বসে থেকে থেকে এই ছোট্ট শিশুরা কি করবে, তাদের কষ্টটাই সবথেকে বেশি। কারণ, শহরে যারা বাস করে তাদের জন্য এই অবস্থাটা সত্যিই বেশ কষ্টকর, বলেন তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, আমি ছাত্র-ছাত্রীদের বলবো, এই ক্লাসগুলো মনযোগ দিয়ে শোনা দরকার। যারা মনযোগ দিয়ে শুনবে তারা তাদের সিলেবাস সম্পর্কে জানতে পারবে, শিখতে পারবে।

দেশকে তার সরকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, যে যাত্রাকে করোনাভাইরাস অনেকাংশে ব্যাহত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই, আমাদের থেমে থাকলে চলবে না, এগিয়ে যেতে হবে। কারণ, তিনি চেয়েছিলেন এই দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত করে গড় তুলবেন। আমরা দারিদ্র মুক্তির অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। সফলতাও এনেছিলাম এবং আশা ছিল খুব শিগগিরই বাংলাদেশ দারিদ্রমুক্ত হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল মুজিববর্ষ থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ২০২০ থেকে ২০২১ এর মধ্যেই বাংলাদেশ দারিদ্র মুক্ত হবে। তবে, করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে একটা বিরাট ধাক্কা লেগেছে। অবশ্য আশা করি এই বাধা দূর করেই আগামীতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আর বিশ্বব্যাপী যে সমস্যা সেটিও দূর হবে।

প্রধানমন্ত্রী নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে এখানে কাজ করতে হবে এবং সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। আবার নিজেকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক চলতে হবে। তাহলেই এই রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন।

তিনি তার ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন এবং বক্তি বিশেষের প্রতি কৃতজ্ঞতাপ্রকাশ করে বলেন, আপনারা যে সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। তা আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দেব।

প্রধানমন্ত্রী এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাইকে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে করুণা ভিক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেহেতু রমজান মাস, তাই, সবাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে বেশি করে দোয়া করেন। যাতে এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাই, এই কোভিড-১৯ ভাইরাস থেকে মানব জাতি মুক্তি পেতে পারে। তিনি সব ধর্মাবলম্বীদের নিজ নিজ নিয়মে সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রার্থনা করারও অনুরোধ জানান।

অনুদান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও ব্যক্তিরা হচ্ছে- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল ও কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (কেএইউ), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ডুয়েট) গাজীপুর, নর্থ সাউথ ইউনিভার্র্সিটি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (নগদ), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল), মিনিস্ট্র অব ডিফেন্স কনস্টাবুলারি (এমওডিসি), দ্য কমিউনিষ্ট পার্টি অব চায়না, বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), জীবন বীমা কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, ইনভেষ্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, বিসিএস কাষ্টমস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিক্স, বিসিএস কৃষি অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ, সড়ক ও জনপথ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাব লিমিটেড, বুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, থার্মাক্স গ্রুপ, ম্যাক্স গ্রুপ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, পূর্বাচল ক্লাব লিমিটেড, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় ও মোস্তাসিম বিল্লাহ সিয়াম।

About Saimur Rahman

Leave a Reply