Breaking News
Home / এক্সক্লুসিভ / কে দিবে স্টাফদের বেতন? কে দিবে মার্কেট বন্ধের ভুলের খেসাড়ত?

কে দিবে স্টাফদের বেতন? কে দিবে মার্কেট বন্ধের ভুলের খেসাড়ত?

গত ৫ মে সরকার অনুমতিক্রমে ও বিধি নিষেধ মেনে শপিং কমপ্লেক্স খোলা অনুমতি দেয় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাননাীয় প্রধান মন্ত্রী অথৈর্নিতিক চাকা সচল রাখতে এই সিদ্ধান্ত দেন। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল সাহেব মানীয় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের শপিং মলগুলো খোলার অনুমতি চান। তারই ধারাবাহিকতায় ১০ মে থেকে সামাজিক দূরত্ব ও বিধি নিষেধ মেনে মার্কেট খোলার অনুমতি দোকাণ মালিকরা। কিন্তু ঢাকা-চট্টগ্রাম কিছু মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির কর্মকর্তারা মার্কেটের সাভিংসিং চার্জ, সিউকিউরিটি, জীবাণুনাশক প্রক্রিয়াকরনের খরচ বাচাতে মার্কেট অনেকেই বন্ধ রাখে। কারন এরা আসলে প্রকৃত দোকান মালিক না তারা ডেইলি বিক্রি করে সাপ্তাহিক স্টাফদের বেতন দেন না।
দীর্ঘদিনের পর মার্কেট খুলবে জেনে দোকান মালিকরা একটু আশা আলো দেখে ছিল। কারন মার্কেট গুলো খোলা থাকলে স্টাফদের বেতন এর টাকা তো আসতো।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনার সুপ্ত চিন্তাধারা ও উদ্যোগকে স্বাগত ও সম্মান জানিয়ে গিগল বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা এনায়েত হোসেন বলেন- মমতাময়ী দেশরত্ন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দূরদৃষ্টি চিন্তা করে মহোদয়কে অনেক অনেক আন্তরিক ধন্যবাদ বৈশিক মহামারি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের, মধ্য বিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষদের মাঝে খাদ্য সহায়তার কথা চিন্তা করেই মার্কেট খুলে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন খাতে প্রায় ৮০ হাজার কোটি ডলার প্রণোদনা ঘোষনা করেছেন। তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে রাখবে বিকেল চারটা পর্যন্ত কিন্তু এখানে যারা মার্কেটের সভাপতি-সেক্রেটারি হর্তাকর্তা আছে তারা যারা শপিংমলগুলো বন্ধ রেখেছে ঢাকা চিটাগং এগুলোতে বিশেষ করে লক্ষ করা গেছে। এরা ১০-১৫ দিন খোলা থাকলে এরা অন্তত হলেও তারা মোটামুটি ২০ হাজার টাকা করে পেত। দশ দিন ডিউটি করে নিতে পারত এতে  দোকানের মালিক কর্মচারীর মধ্যে ভাল সম্পর্ক থাকত। তখন করোনা ধরা খেয়েছিল দিনে ৫০ জন আক্রান্ত হত, মারা যেত ২ জন, এখন  মারা যায় ২২জন আর আক্রান্ত হয় ১৮০০ । ৩০ তারিখের পরে পহেলা জুন থেকে সব শপিং মল খুলে দেওয়া হয় দোকান খুলতে পারবো না জিনিসটা মার্কেট কর্তৃপক্ষ সভাপতি-সেক্রেটারি নামে মাত্র দোকান দেখে যারা প্রকৃত দোকানি নয় আর এখানে মার্কেটে সভাপতি-সেক্রেটারি হয়েছে তার জন্য এবং তারা কিছু মানুষের কাছে ভালো হওয়ার জন্য তারা মার্কেট বন্ধ করে রেখেছে। মালিকপক্ষ দোকান খুলে  বিক্রি করতে না পারলে এদের বেতন বিল কিভাবে পরিশোধ করবে। সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের দায়ভার গ্রহণ করতে হবে। ঈদের পর মার্কেট খুললে কে দিবে স্টাফদের বেতন? কে দিবে মার্কেট বন্ধের ভুলের খেসাড়ত? ঈদের আগে যেসমস্ত মার্কেট বন্ধ রাখা হয়েছে ঐসব দোকানের স্টাফরা এখন কি করবে।

যদি মার্কেট খোলা থাকতো তাহলে তো কিছু বিক্রি হতো যা দিয়ে স্টাফরা খেয়ে বেচে থাকতে পারতো। এখন এই মহামারীতে মানুষ এখন না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে এই পরিস্থিতিতে মার্কেট খুলে আবার বন্ধ করে দেয়ার কোন যুক্তি খুজে পাচ্ছি না। মানুষ করোনা ভাইরাসে মারা যাবে না তারা না খেয়েই মারা যাবে।

About Saimur Rahman

Leave a Reply