Breaking News
Home / রাজনীতি / গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান পদে নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে মনোনয়নের দাবি

গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান পদে নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে মনোনয়নের দাবি

53637_vlগ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান পদে নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে মনোনয়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তাদের পক্ষে গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে নিরপেক্ষ বিচারকাজ সম্পাদন করা প্রশ্নসাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত ‘গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ ও এর প্রায়োগিক সীমাবদ্ধতা নিরূপণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এ দাবি করেন।
সভায় গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর প্রায়োগিক সীমাবদ্ধতা নিরূপণ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব প্রণব চক্রবর্তী। সভায় গ্রাম আদালত, ২০০৬ আইনের প্রায়োগিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালতের মামলার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেয়া দরকার, গ্রামের চেয়ারম্যান/মেম্বারদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে, আইন সংক্রান্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের গ্রাম আদালতে থাকা প্রয়োজন, তিন মাসের মধ্যে মামলা নিস্পত্তি সময় অত্যাধিক, তাছাড়া মিডিয়া এই বিষয়ে কোন ভাবে সংযুক্ত হতে পারে কিনা তা দেখতে হবে। তারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২০১৫ সনের সংশোধনী অনুযায়ী যেহেতু অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাই তাঁদের পক্ষে গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে নিরপেক্ষ বিচারকাজ সম্পাদন করা প্রশ্নসাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থার উত্তরণে গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে নিরপেক্ষ অন্য কোন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দানের বিষয়টি আশু বিবেচনা করা প্রয়োজন। মিডিয়া ক্ষেত্রে বড় ভ’’মিকা পালন করতে পারে গ্রাম আদালতের বিষয়টি সবাইকে জানানো দরকার। কারণ আদালত সম্পর্কে আমাদের সিনেমা বা মিডিয়ায় সঠিক চিত্র ফুটে ওঠেনা।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সভাপতি এডভোকেট সিগমা হুদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আলোচক হিসাবে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউ-েশনের নির্বাহী পরিচালক জনাব মহসীন আলী, অবসর প্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ তারিক হায়দার ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ব্যারিষ্টার মনিরুল ইসলাম খান। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা সোহেল। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপস্থিত বক্তারা। সভায় বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিগণও উপস্থিত ছিলেন।

About Saimur Rahman

Leave a Reply