Breaking News
Home / ক্রাইম / ডুগডুগির ইমতিয়াজ রেজা সুমনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ

ডুগডুগির ইমতিয়াজ রেজা সুমনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ


অপরাধ ডেস্ক, স্বদেশ কন্ঠ: আজ সোস্যাল মিডিয়া ফেসুবুক ফিডে ডুগডুগির ইমতিয়াজ রেজা সুমনের বিরুদ্ধে জোর পূর্বক যৌন হয়রানির একাধিক মেয়ের অভিযোগ এর পোষ্ট ভাসছে। লামিয়া তাসনিম নামে একটি মেয়ে তার ফেসবুক প্রোফাইলে পোষ্টটি কে করেছে যা ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্জারা ব্রাইডাল সনামধন্য একটি ব্রাইডাল হাউজ। আঞ্জারা
ব্রাইডাল শুটের জন্য মডেল লাগবে এমন একটি পোষ্ট দেয় ডুগডুগির ইমতিয়াজ এবং ইন্টারভিউতে বিভিন্ন মেয়েদেরকে অনৈতিক প্রস্তাবসহ জোরপূর্বক যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এবং ভিকটিম ইমতিয়াজ এর বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট দেয়। যা সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল। তাসনিম তার ফেসবুক প্রোফাইলে যা লিখেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো। এই সংবাদটি প্রচার করার জন্য একাধিক মেয়ে নাম প্রকাশে অনুইচ্ছুক আমাদের স্বদেশ কন্ঠ সংবাদ প্রতিনিধির সাথে যোগযোগ করে।

অনেকে বলবেন সত্যতা যাচাই না করে কেন পোস্ট করলাম, এই লোক আমাকে বাংলালিংক এর শ্যুটের পারপাসে অফিসে ডাকে। ডেকে বলে ক্লায়েন্ট কিছু ডিমান্ড করলে বা কফি টফি খাইতে চাইলে (পড়েন শুইতে চাইলে) যাতে বাচ্চাদের মত না করি। শালার অফিস থেকে যে বের হইসিলাম আর কোনোদিন সামনে পড়িনাই।

হঠাৎ আজকে একটা পোস্ট চোখে পড়ল। প্লিজ সবাই পোস্ট টা শেয়ার দেন। সবাই জানুক যে এমন কয়টা কুলাঙ্গারের জন্য মিডিয়া কে মানুষ নিচু করে দেখে।

পোস্টটা হুবহু নিচে তুলে ধরলাম মানুষকে জনানোর জন্য এবং মেয়েদের শতর্কতার জন্য।

***নিচের লিখা সম্পূর্ন #copied‼️
“অনেকদিন ধরে কথা গুলো মনের ভেতর চাপিয়ে রেখেছি। কাওকে বললে হয়ত বলবে তুমি এমন জায়গায় কেনো গিয়েছে? তাই বলতেও পারি না। বলবে না ই বা কেনো আমার তো নিজেকে ঘেন্যা হয় যখন ঐ দিন এর কথা গুলো মনে পড়ে।

যদিও আমার দোষ এইটুক ই যে আমি না বুঝে একটি প্রোডাকশন হাউস এ গিয়েছিলাম শুট এর জন্য ইন্টারভিউ দিতে। আজ কি ভেবে সাহস পেলাম আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল আপনাদের সামনে তুলে ধরার। আপনারা যারা অ্যাক্টিং বা মডেলিং করতে চান তাদের জন্য আমার পোস্ট টা। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড এর যেই বিশ্রী নোংরা চেহারা আমি দেখেছি তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমার এই পোস্ট দিয়ে যদি এই ভদ্র বেশি জনোয়ার এর চেহারা সবাই চিনে এতেই আমার খুশি।

৬/৭ মাস আগের কথা ফেসবুক এ আঞ্জারা ব্র্যান্ড এর ব্রাইডাল শুট এর একটা অ্যাড দেখেছিলাম। মনের মধ্যে একটা সুপ্ত ইচ্ছা ছিল মডেলিং করার ঠিক মডেলিং না ব্রাইডাল মডেল হওয়ার আরকি। ভাবলাম ব্রাইডাল শুট ই তো। অশ্লীল কোনো পোশাক তো আর না। তাই বাসায় না জানিয়েই গেলাম ওই প্রোডাকশন হাউস এ। যাওয়ার আগে খোজ নিলাম দেখলাম তারা মোটামুটি ভালই কাজ করে। তাছাড়া ভাবী নি অঞ্জারা এর মত ব্র্যান্ড এর সাথে কাজ করে এমন হাউস এত জঘন্য হবে ভেতর দিয়ে। অ্যাড টায় লিখা ছিল তারা নিউ ফেস চায় কিন্তু নিউ ফেস এর আড়ালে তারা নিউ শরীর চায় এটা বুঝি নি।


যাই হোক গেলাম ওখানে দেখলাম অমর মত ৩/৪ টা মেয়ে বসা। এর মধ্যে ২ জন পুরাতন ওখানের ওই প্রোডাকশন হাউস এর মালিক জানোয়ার ইমতিয়াজ এর চামচা। সহজ মনেই প্রশ্ন করলাম যে এখনকার অবস্থা কেমন উল্টা পাল্টা কিছু কাহিনী নেই তো। তারা আমাকে বললো ” ইমতিয়াজ ভাই অনেক ভালো একজন মানুষ, শুধু উনার হ্যাঁ তে হ্যাঁ মিলাবা তাহলেই হবে” এর মধ্যে একটা মেয় ইন্টারভিউ দিয়ে বের হলো তার চেহারা দেখেই লাগছিল খুব ভয় পেয়েছে। আমি ভেবেছিলাম হোয়ত ইন্টারভিউ খারাপ হয়েছে। তাকে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই সে চলে গেল এর মধ্যে আরো কয়েকজন meye আসলো।

সবার সাথে কথা বলছিলাম সবাই ই ব্রাইডাল শুট এর জন্য এসেছে। এর মধ্যে আরেকজনের ইন্টারভিউ শেষ সে আমার সামনের সোফায় বসেছিল দেখলাম পাশের জন এর সাথে কান এ কান এ কথা বলছে। জিজ্ঞেস করলাম কেমন হলো ইন্টারভিউ শে বললো আমাকে দিয়ে হবে না। হাসি মুখেই বললো কথা গুলো। আমি তখনও বুঝি নি মেয়েটা ভয়ে কথা বলছে না।
এরপর আসলো আমার টার্ন। এবার শুরু আসল ঘটনা। ইন্টারভিউ রুম এ ঢুকেই ডুগডুগি প্রোডাকশন এর মালিক ইমতিয়াজ নামের জানোয়ার টা আমাকে বসতে বললো। নাম পরিচয় দিলাম। তারপর জানতে চাইলো interview দেওয়ার কারণ। আমি বললাম ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল মডেলিং করার কিন্তু কোনো ভাবে সুযোগ হয় নি। সে আমাকে বলল তাহলে তুমি ঠিক জায়গায় এসেছ আমি তোমার ক্যারিয়ার বানিয়ে দিবো যদি তুমি আমার কথা মতো কাজ করো। এই বলে সে কোন কোন মেয়ের ক্যারিয়ার বানিয়েছে বললো আমাকে কথায় কথায় এটাও শুনলো তার wife এর কোন মামা জেন সচিব। আরকি শুনলো যাতে এরপর উনি যেটা করবে তার প্রতিবাদ করার কোনো উপায় নেই এটা বুঝানোর জন্য।

তো ঐ মানুষ নামের পিচাশ টা আমাকে এরপর জিজ্ঞেস করলো আমার ব্রা এর সাইজ আমি খুব uncomfortable ফিল করছিলাম বললাম কেনো উনি বললো জানতে হবে উনার ব্রাইডাল কাস্টম এ আমাকে সুন্দর লাগবে কিনা তাই আমি বললাম আমার খেঁয়াল নেই । তো সে বললো ব্রা কে কিনে তোমার boyfriend? আমি বললাম না। আমার কেনো জানি কেমন ফিল হচ্ছিল আমি তাকে বললাম আচ্ছা ভাইয়া আমার সময় নেই আমি আসি সে ধমক দিয়ে বললো এত তারা থাকলে আসছি কেনো এটা মজা করার জায়গা না ইন্টারভিউ দিতে আসছি দিয়ে যেতে হবে। আমি খুব ভোয় পেয়েছিলাম হাত পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। অন্য মেয়েরা যেখানে বসেছিল ঐটা খানিকটা দূরে আর যেই রুম এ ছিলাম ঐটা সাউন্ড প্রুফ রুম। ফোম জাতীয় জিনিস বাঁধাই করা ওয়্যাল এ। তাই আমি তেমন রিএক্ট করি নি। আমি বাসায় ও কাওকে জানিয়ে আসি নি যদি সে খারাপ কিছু করে আমার সাথে এই ভোয়ে তার কথা শুনছিলাম। যদিও খারাপ কিছু করা বাদ রাখে নি।
সে আমাকে বললো এরপর উঠে দাড়াতে তার সামনে আমি দাড়ালাম। সে আমাকে আরো কাছে ডাকলো । সে তার চেয়ার এ বসে ছিলো আমি দাড়ানো। আমাকে বলো পেছনে ঘুরতে আমি ঘুরে দাড়াতেই আমার পেছনে হাত দিয়ে সে ধরে দেখা শুরু করলো। আমাকে বার বার বলছিল ইজি থাকো। এগুলো কোনো ব্যাপার না। আমি জিন্স এর শার্ট পড়া ছিলাম সে ড্রেস এর উপর দিয়েই হাত দিয়ে আমার পেছনে ধরে দেখছিল।আমি যে এই কথা গুলো একজন লিখছি এতদিন পর এখনও অমর হাত কাপ্তেছে চোখ দিয়ে পানি পরতেছে আর তখন অমর শক্তি ছিল না কিছু বলার কারণ একটাই আমি এখানে এসেছি কেও জানে না কেউ জানলে কি হবে। আমার বাবা মা এর বিশ্বাস এর কি হবে। জানি আমার অপরাধ না কিন্তু… আমি কখনো বুঝাতে পারবো না আমি কি ফিল করছিলাম আর কেনো তাকে এসব করতে দিলাম প্রতিবাদ না করে।
তারপর সে আমাকে বললো সামনে ঘুরতে আমি ঘুরতেই সে বলবো ব্রা দেখতে আমি বললাম না সে তখন আমাকে বললো areh এটা কোনো ব্যাপার নাকি খুলো জলদি আমার সময় নেই এত। মিডিয়া তে কাজ করলে এমন একটু একটু হোয় ই আমি তাও কিছু না বলে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম সে উঠে রেগে আমার দিকে আরেকটু এসে আমাকে বলবো বাটন খুলো আমি বিয়ে শার্ট এর একটা বাটন খুললাম আর বললাম আর পারবো না এটা বলতে সে উঠে এসে আমার ড্রেস এর ভেতর হাত ঢুকিয়ে দিলো হঠাৎ আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই আর ধরছিল আর বলছিল তোমার বুকের সাইজ টা সুন্দর নষ্ট হতে দিও না এই সাইজ টা প্রায় ১০ মিনিট এভাবে সে মলেস্ট করলো আমাকে এর আমার শরীরের ভেতর হাত রেখে আমাকে বলছিল আমি তোমার ক্যারিয়ার বানাবো তুমি আমার ক্ষেয়াল রাখবা। তোমার মত অনেক মেয়ে আছে সবাই ই করে। এটাই মিডিয়ার নীয়ম। বিশ্বাস করেন আমার একটা কথা বলার সামর্থ্য ছিল না। সে এরপর হাত সরিয়ে বললো চুপচাপ বাইরে জেয়ে বসতে কারো সাথে কথা বলতে না আমাকে আবার ডাকবে। আমি বাইরে আসলাম আমার জিবনে এমন কোনোদিন হয় নি এসব মুভি তে দেখেছিলাম তাই বাস্তবতা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছিল। এসে আমি সোফায় আমার আগে আশা meye তার পাশে বসলাম সে আমাকে জিজ্ঞেস করলো ইন্টারভিউ কেমন দিলাম আমি বললাম তাকে তোমার সাথে কি খারাপ কিছু করেছে? সে আমাকে ইশারা দিয়ে বললো চুপ থাকতে ওইযে পুরান ২ জন meye তারা সব বলেদিবে। আর ওই লোক খুব প্রভাবশালী এখনকার তাই উল্টা পাল্টা রিএক্ট করলে আমাদের hoyto ক্ষতি করতে পারে তাই হাসিমুখ এ থাকতে। আমিও তাই করলাম এরপর আরো ২/৩ জন আমার সাথে আশা মেইয় বের হলো তাদের আস্তে আস্তে জিজ্ঞেস করলাম তারাও এক কথা বলছিল আর কেও আমরা ভোঁয়ে কোনো কিছু বলছিলাম না। তার মধ্যে ১ জন বললো মিডিয়া তে এগুলো নরমাল সে আগেও এমন অনেক হাউস এ কাজ করেছে খালি বলবা ঠিক আছে tmi রাজি কিন্তু করা লাগবে না কিছু বলা তেই ওরা সন্তুষ্ট আর একটু হাত দিলে কিছু hoy না টেলর তখন ড্রেস এর মাপ নিতে আসে তারা তো জমা খুলেও দেখে। আমার ইচ্ছা করছিল এসব শুনে কাদতে। কিভাবে তারা এগুলো easily নিচ্ছে। আমি কোনো রিএক্ট করলাম না বশে ছিলাম আর ভাবছিলাম একবার ভালো মত বাসায় যাই আর জীবনেও না ইন্টারভিউ। সে যাতে ক্ষতি না করে সেই ভোয় করে তার permission এর ওয়েট করছিলাম এর মধ্যে সে সিলেক্ট করলো আমি সহ ৬ জন কে। সে ৬ জন কে একা একা ডাকলো সাইন করতে আর লিখিত দিতে যে আমরা তার সাথে কাজ করবো। আমি যেতে চাচ্ছিলাম না কিন্তু এক প্রকার বাধ্য হয়েই গেলাম। আমার সাথে আরেকটা মে কে বললাম চলো প্লিজ কিন্তু তাকে ওই বদ জাত লোক বললো গেট থেকে চলে যেতে রুম এর ভেতর আসতে দিলো না। তারপর আমাকে চেঁয়ার এ বশিয়ে একটা কাগজ দেখিয়ে বললো তুমি এটা দেখে এই কথা গুলো লিখো। আর সে আমার পাশে দাড়িয়ে আমাকে না জিজ্ঞেস করেই আমার শার্ট এর ভিতর হাত ঢুকিয়ে ছিল যতক্ষণ আমি লিখেছিলাম। আমার চোখ থেকে পানি পড়ছিল কিন্তু তার হাত থামে নি খালি বলছিল ইজি হও এমন কেনো তুমি। এরপর আমাকে বাসায় যেতে বললো আর বললো next কবে আসতে হবে আমি কিছু না বলে বের হলাম বাসায় এসে অনেক কেদেছিলাম ওইদিন কিন্তু আজ পর্যন্ত কাওকে বলার সাহস হয় নি। আজ প্রথম বললাম। আপুরা আপনারা যারা মিডিয়া তে কাজ করতে চান আশা করি বুঝতে পারবেন এটা কেমন জায়গা । আরে আমি তো কোনো বোরো মডেল হতে চাই নি সিম্পল একটা ব্রাইডাল শুট করার লোভ হয়েছিল । তাতেই এই অবস্থা। আর আপনাদের ভাই বোন পরিচিত সবাই কেই এই production হাউস তার বেপার e জানিয়ে রাখবেন। আমি জানিনা মিডিয়া তে এসব নরমাল নাকি না কিন্তু এইটুক জানি ওই লোক বুঝেছিল আমার ইচ্ছা নেই টা সত্বেও অমর শরীরে হাত দিয়েছিল। সে নিশ্চই বিকৃত মানসিকতার একজন লোক। সে potential rapist।”

About Saimur Rahman

Leave a Reply