Breaking News
Home / ভিডিও / দেখুন স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা অনৈতিক দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত !! খোঁজ নিয়েছেন কখনো !!

দেখুন স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা অনৈতিক দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত !! খোঁজ নিয়েছেন কখনো !!

দেখুন স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা অনৈতিক দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত !! খোঁজ নিয়েছেন কখনো !!
ভিডিও দেখতে পোষ্টের নিছে চলে যান

যাদের লিঙ্গ দাড়ায় না, তাদের এই সমস্যার চিকিৎসা জেনে নিন

ইরেকটাইল ডিসফাংকশান’ বা লিঙ্গ উত্থান সমস্যা সমাধানে একটি প্রাকৃতিক উপায় বের করেছেন ডেনমার্কের গবেষকরা। পুরুষের লিঙ্গে একটি মাত্র ইনজেকশন এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। ইনজেকশনটি স্টেম সেল থেকে তৈরি।

ডেনমার্কের ঐ গবেষকদের ধারণা, এই পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময়ের জন্য মানুষ তাঁর যৌন সক্ষমতা ফিরে পাবেন এবং উপকৃত হবেন। যেসব পুরুষের লিঙ্গ উত্থান সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করেছেন ড্যানিশ গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্টেম সেল থেরাপি এ ধরনের সমস্যায় দারুণ সমাধান দেয়। অর্থাৎ যেসব পুরুষ সহবাসের সময় এ ধরনের সমস্যায় ভুগতেন, স্টেমসেল ব্যবহার করে তাঁরা এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

মার্থা হার-এর নেতৃত্বে ডেনমার্কের ওডেনসে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের গবেষকরা লন্ডনে ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউরোলজি সম্মেলনে তাঁদের এই গবেষণার তথ্য-উপাত্ত এবং ফলাফল উপস্থাপন করেন।

পেটের ভেতরে যেসব ফ্যাট সেল বা চর্বি কোষ রয়েছে লাইপোসেকশন করে সেখানকার স্টেম সেল নিয়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে তা ২১ জন পুরুষের লিঙ্গে প্রবেশ করানো হয়, যাঁদের এ ধরনের সমস্যা আছে।

ইনজেকশন দেওয়ার পরই ঐ পুরুষদের ক্লিনিক থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। জানা যায়, প্রাথমিক চিকিৎসার ছ’মাস পরসেই ২১ জনের আটজন পুরুষ জানান যে, ভায়াগ্রার মতো ওষুধ ছাড়াই তাঁরা সহবাস করেছেন এবং সহবাসে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

মার্থা জানান, ‘‘আমাদের ধারণা, এই পদ্ধতির মাধ্যমে খুব স্বাভাবিকভাবে লিঙ্গের উত্থান হবে। অর্থাৎ এর জন্য ভবিষ্যতে কোনো ওষুধ অথবা কোনোরকম অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রয়জন হবে না।” অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যাঁদের ইরেকটাইল ডিসফাংকশান কমে গিয়েছিল, তাঁরা জানান যে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সহবাসে তাঁদের কোনো অসুবিধা হয়নি অর্থাৎ প্রায় এক বছর কার্যকর ছিল এই স্টেম সেল ইনজেকশনটি। লন্ডনে অনুষ্ঠিত ঐ সম্মেলনে যে ফলাফল তুলে ধরা হয়েছে, সেটা অবশ্য গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ের ফলাফল। গবেষণা দলটি এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু করেছেন, যাতে আরো বেশি পুরুষ অংশগ্রহণ করছেন।

৪০ থেকে ৭০ বছরের পুরুষদের মধ্যে ইরেকটাইল ডিসফাংকশান বেশি দেখা যায়। যাঁরা এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা সাধারণত ভায়াগ্রা বা ঐ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন, যার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অথচ এই গবেষণা চলাকালীন যেসব পুরুষদের লিঙ্গে ইনজেকশন দেয়া হয়, তাঁদের কারুর থেকেই কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

About Admin Rafi

Leave a Reply