Sunday, January 29

ইমু ভিডিও কলে সৌদি আরবের মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। ভিডিওটি দেখলে তাজ্জব হবেন

বর্তমানে ইমু ভিডিও কলে লাইভ কথা বলা যেন এক ভাইরাসে পরিনত হয়েছে। পরিবারের লোকজন দূর দূরান্তে থাকলে লাইভে এসে কথা বলতে পারাটা এক অন্য রকমের আনন্দ। কিন্তু সমস্যা এখানে নয়। আধুনিক যুগে প্রযুক্তির উন্নয়ন হবেই এবং এতে তাল মিলিয়ে সামনের দিকে আমাদের আগাতেও হবে।

তবে এর জন্য নিজেকে বিলিন করে দেয়া যাবে না। ইদানিং অনেক মেয়েদের কেই দেখা যায় তারা লাইভ ভিডিও কলকে ব্যাবসায় পরিনত করেছে। লাইভে এসে টাকার বিনিময়ে নিজেকে নগ্ন করছে। এসব থেকে সচেতন হতে হবে।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

বাংলাদেশী টাইগারদের চরম অপমান করে যা লিখেছে – ভারতীয় মিডিয়া

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ‘বেত্তমিজ’ সাকিব আল হাসান ‘বেত্তমিজ’ ভারতীয় গণমাধ্যমের গাত্রদাহ ধরনের প্রতিবেদন দেখে অবাক বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীরা। গণমাধ্যম বাংলাদেশের টাইগারগার ‘গালি’ দিয়ে যেন গায়ের ঝাল মিটিয়ে নিচ্ছে। অন্তত ভারতীয় গণমাধ্যম ও সাবেক কয়েকজন ক্রিকেটারের মন্তব্যে এমনটাই মনে হচ্ছে।

হিন্দি ভাষার একটি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি বিশ্লেষণ করতে বসে যেন তারা বাংলাদেশের উপর চড়াও হতে শুরু করে। প্রতিবেদনে সংবাদ প্রেজন্টার এবং নিজস্ব প্রতিবেদকের হিন্দি ভাষায় করা প্রতিবেদন শুনে শুধু হাস্যকরই মনে হবে না, আরও মনে হবে যে পূর্বের কোনো শত্রুতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশকে দোষী হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টায় নেমেছে তারা!

গত ১৬ মার্চের শাসরুদ্ধকর ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেটে হারিয়ে নিদাহাস ট্রফির ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। শেষ ওভারের নো বল-কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচে নিজের দায়টুকু স্বীকার করে নেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। একই সাথে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মলনে ফাইনালে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করেন তিনি। ১৮ বলে ৪৩ রান করা ইনিংসটি নিজের সেরা ইনিংস বলে জানান জয়ের নায়ক মাহমুদুল্লাহ।

ইসুরু উদানার প্রথম দুই বল বাউন্সার হওয়ার পর টি-টোয়েন্টির নিয়ম অনুযায়ী আম্পায়ারের ‘নো’ বল কল করার কথা। ম্যাচ জেতানোর নায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ লেগ-আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি ‘নো’ বলের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের প্রতিবাদের পর মূল আম্পায়ারের সাথে আলোচনা করে তা তুলে নেন। এ নিয়েই যত বিপত্তি। প্রথম বলটি আম্পায়ার বাউন্সার ডেকেছিলেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন মাহমুদউল্লাহ। মাঠের বাইরে বাংলাদেশের ড্রেসিংরুম ক্ষোভে ফেটে পড়ে।

Leave a Reply