Wednesday, April 29

যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশের টাইটানিক “কীর্তনখোলা-১০‘’।- ভিডিওটি না দেখলে বিশ্বাসই হবে না।

যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশের টাইটানিক “কীর্তনখোলা-১০‘’। টাইটেলটা ঠিকই পড়েছেন। বাংলাদেশের মধ্যে এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় লঞ্চ। এমনিতেই ঢাকা- বরিশাল নৌ রুটে রয়েছে অনেক বড় বড় লঞ্চ কিন্তু কীর্তনখোলা-১০ নামার পর সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে।

এ যেন টাইটানিক। শুধুই কি বড়! না, কি নেই এতে? এ যেন একটি চলমান ফাইভ স্টার হোটেল। সব আধুনিক মাত্রা যোগ করা হয়েছে এতে। ভিডিওটি না দেখলে বিশ্বাস হবে না আপনার।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

৭০ টাকার নোট উদ্বোধন

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ অভিযাত্রার মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ‘উন্নয়ন অভিযাত্রায় বাংলাদেশ-মার্চ ২০১৮’ শীর্ষক একটি স্মারক নোট ইস্যু করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই স্মারক নোট ইস্যুর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফোল্ডার ছাড়া খামসহ নোটের মূল্য ৭০ টাকা এবং দৃষ্টিনন্দন ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। স্মারক নোটটি নির্ধারিত মূল্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে সব শাখা অফিসে পাওয়া যাবে।

নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪০ মিমি ৬২ মিমি পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি, জাতীয় স্মৃতি সৌধ, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র, বাংলাদেশের মানচিত্র, বাইনারি সংখ্যা ইত্যাদি মুদ্রিত আছে এবং নোটের ডানটিকে উপরের কর্ণারে নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৭০’ এবং নীচের কর্ণারে বাংলায় ‘৭০’ মুদ্রিত রয়েছে।

নোটের অপর পিঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ও নির্মাণাধীন পদ্মা বহুমুখী সেতুর নকশা মুদ্রিত আছে। উপরের মধ্যভাগে ইংরেজিতে স্মারক নোটের নাম ‘ডেভেলপিং বাংলাদেশ-মার্চ ২০১৮’ লেখা আছে। নোটের বামদিকে উপরের কর্ণারে ইংরেজিতে স্মারক নোটের মূল্যমান ‘৭০’ এবং বামদিকে নীচের কর্ণারে বাংলায় ‘৭০’ মুদ্রিত রয়েছে।

Leave a Reply