Breaking News
Home / বাংলাদেশ / নাম বদলে সৌদিতে হাজি পাঠাচ্ছে কালো তালিকাভুক্ত হজ এজেন্সি!

নাম বদলে সৌদিতে হাজি পাঠাচ্ছে কালো তালিকাভুক্ত হজ এজেন্সি!

খানজাহান আলী হজ ট্যুর ও ট্রাভেলস সরকারের কালো তালিকাভুক্ত হজ এজেন্সি। কিন্তু নাম বদল করে কোম্পানিটি সৌদি আরবে হাজি পাঠাচ্ছে। তারা এখন আল-মদিনা ট্রাভেলস-এর নাম দখল করেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি এনফোর্সমেন্ট টিম রাজধানীর ফকিরাপুলের হজ এজেন্সিগুলোতে অভিযান চালিয়ে এ তথ্য উদঘাটন করেছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হজ এজেন্সিগুলো হজযাত্রীদের প্রতারণা এবং দুর্নীতি ও মানব পাচার সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি এনফোর্সমেন্ট টিম রাজধানীর ফকিরাপুলের হজ এজেন্সিসমূহে অভিযান চালিয়েছে।
উপপরিচালক মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে পুলিশসহ ৯ সদস্যের দুদক টিম রোববার রাজধানীর ফকিরাপুলে কয়েকটি হজ এজেন্সিতে আকস্মিক অভিযান চালায়।
এ নিয়ে দুদক হজ এজেন্সির দুর্নীতি প্রতিরোধে চতুর্থ দফা অভিযান চালালো।

এর আগে গত ২ জুলাই, ৪ জুলাই এবং ৯ জুলাই দুদকটিম যথাক্রমে রাজধানীর পুরানা পল্টন, নয়াপল্টন ও ফকিরাপুলের হজ এজেন্সিসমূহে অভিযান চালিয়েছিল।
দুদক টিম ফকিরাপুলে জি-নেট টাওয়ার এ অবস্থিত ৮টি ট্রাভেল এজেন্সিতে অভিযান চালায়। সংস্থাটি বলছে, খানজাহান আলী হজ ট্যুর ও ট্রাভেলস সরকারের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় আল-মদিনাট্রাভেলস-এর নামে হাজি পাঠাচ্ছে।
এছাড়া জামালপুর ট্যুর ও ট্রাভেলস নিজেদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক হাজী না পাওয়ায় মিনার ট্রাভেলসকে তাদের যাত্রী পাঠানোর দায়িত্ব দিয়েছে।
সরেজমিন অভিযানে কিং এয়ার ইন্টারন্যাশনাল-এ বড় অনিয়মের প্রমাণ পায় দুদক। উল্লেখিত হজ এজেন্ট নিজের নিবন্ধনকৃত হাজি প্রেরণ না করে তার লাইসেন্স অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান নীলসাগর ট্রাভেল এজেন্সিকে প্রদান করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নীল সাগর ট্রাভেল এজেন্সির নিজস্ব কোনও হজ লাইসেন্স নেই।
এ অভিযান পরিচালনা প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী জানান, “হজ নিয়ে দুর্নীতি বা প্রতারণা বন্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা হবে, দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই থেকে সৌদি আরবে হাজি পাঠানো হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করবেন এক লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার লোক হজ করতে যাবেন।
এ বছর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৫২৮টি হজ এজেন্সি হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হজের শেষ ফ্লাইট যাবে ১৫ আগস্ট।

About News Desk

Leave a Reply