Wednesday, February 8

ফরাসি সুন্দরী হলেন মিস ইউনিভার্স

51496_f7বিশ্বের ৮৫টি দেশের সুন্দরীদের পেছনে ফেলে ৬৫তম মিস ইউনিভার্সের মুকুট মাথায় পরলেন ফ্রান্সের ইরিস মিটেনায়ের। গতকাল ফিলিপাইনের রাজধানীতে তিন ঘণ্টার জমকালো আয়োজনে নতুন মিস ইউনিভার্স হিসেবে ইরিসের নাম ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে তিনবারের মতো এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো দেশটিতে। মুকুট জয়ী ইরিস উচ্ছ্বাসের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে বলেন, মিস ইউনিভার্সের মুকুট জিতে খুব চমকে গিয়েছি। আমি সত্যিই ধন্য। প্রত্যেক মেয়েই মিস ইউনিভার্স হতে চায়। এই মঞ্চটা অসাধারণ, সবকিছুই বিস্ময়কর। তিনি আরো বলেন, আমি মানুষকে সাহায্য করতে চাই। মানুষকে বুঝতে চাই। মানুষের কাছাকাছি যেতে চাই। এজন্যই মিস ইউনিভার্স হওয়া ছিল আমার স্বপ্ন। খুব অল্প বয়স থেকে মডেলিং পেশায় নাম লিখিয়েছেন ইরিস। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে পেয়েছেন বেশ তারকা খ্যাতিও। শুধু তাই নয় গেল বছর মিস ফ্রান্স হয়েছেন এ সুন্দরী। এর আগেই অবশ্য নর্ড-পাস-ডি-ক্যালাইস সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছেন ইরিস। ফ্রান্স থেকে এ নিয়ে দুজন মিস ইউনিভার্স সেরার মুকুট অর্জন করেছেন। এর আগে ১৯৫৩ সালে ক্রিস্টেন মার্টেল মিস ইউনিভার্স হয়েছিলেন। ইরিসের জন্ম ফ্রান্সের লিলেতে। ১৯৯৩ সালের ২৫শে জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই কাটে তার শৈশব-কৈশোর। ইরিসের বাবা জবেজ মিটেনেয়ারে ইতিহাস ও ভুগোল বিষয়ের প্রভাষক। নব মিস ইউনিভার্সের বয়স যখন মাত্র তিন বছর তখনই তার বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। মূলত মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এ মডেল কন্যা। ২০১১ সালে লিস থেকে বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক পাস করেন ইরিস। এরপর তিনি লিলেতে ফিরে ইউনিভার্সিটি অব হেলথ অ্যান্ড ল-তে দন্ত চিকিৎসার উপর পড়াশোনা শুরু করছেন। এ বিষয়ে পড়া শেষে ডেন্টাল সার্জন হওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন ইরিস। এবারের আয়োজনে প্রথম রানারআপ হয়েছেন হাইতির র‌্যাকুয়েল পেলিসিয়ার। দ্বিতীয় রানারআপ হন কলম্বিয়ার আন্ড্রিয়া টোভার। গত সপ্তাহে প্রতিযোগিতা শুরুর পর কয়েক ধাপ পেরিয়ে ফাইনালের জন্য সাঁতার পোশাক রাউন্ডে নির্বাচিত হন ১৩ জন। তাদের মধ্য থেকে ইভিনিং গাউন পর্বে উত্তীর্ণ হন ৯ সুন্দরী। চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য নির্বাচন করা ৬ সুন্দরীকে। বাকি তিনজন হলেন ফিলিপাইনের ম্যাক্সিন মেডিনা, থাইল্যান্ডের শ্যালিটা সুয়ানসেন ও কেনিয়ার ম্যারি এস্টার। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন স্টিভ হার্ভি।

Leave a Reply