Sunday, January 29

বেশি এমবি না থাকলেও একবার হলেও ভিডিওটা দেখুন!

ভিডীওতি দেখতে হলে পোস্টের নিছে চলে যান

এই ভিডিওটি অনলাইন ইউটিউভ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই ভিডিও নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে এর দায়ভার ইউটিউব চ্যানেল নিবে।
জানেন, শীতের মৌসুমে আপনাকে কীভাবে চাঙ্গা রাখবে গাজর?
শীতের মৌসুম মানেই সবজির রমরমা। হরেক সবজির মধ্যেই লুকিয়ে নানা রোগ প্রতিরোধের সমাধান। এদের মধ্যে অন্যতম গাজর। বিটাক্যারোটিন, ফাইবার, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। শরীরের যাবতীয় শক্তির উৎস। ওজন কমাতে এর জুড়ি মেলা ভার। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে গাজর।

কর্কটের যম
ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ সবজি ডায়াটে বেশি মাত্রায় থাকলে প্রস্টেট ক্যানসারের রিস্ক কমানো সম্ভব। গাজরে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ধূমপায়ীরা বেশি গাজর খেয়ে ফুসফুস, কোলন ক্যানসার এড়ান। গাজরের রস লিউকোমিয়া সেল নষ্ট করতেও সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি
ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের তথ্য বলছে, শিশুর দৃষ্টিশক্তি কমার পিছনে দায়ী ভিটামিন এ-র অভাব। এই ভিটামিনের অভাবে রাতে দেখতে না পাওয়ার সমস্যাও হয়। গাজর ভিটামিন এ-এর সবচেয়ে ভাল উৎস।

ডায়াবিটিস
গাজরে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সাইটোকেমিক্যাল, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। গাজর খেতে মিষ্টি হলেও এতে সুগারের মাত্রা খুবই কম। তাই ডায়াবেটিস থাকলে নিশ্চিন্তে খান গাজর।

ইমিউনিটি
শীতকালে ঠান্ডা লাগার সমস্যা, সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো উচিত। গাজরের ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও গাজরে থাকে লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
কুচি কুচি করে কাটা হাফকাপ গাজরে থাকে ১.৮ গ্রাম ফাইবার ও ২০৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। রক্তচাপ কমাতে ও হার্ট ভাল রাখতে সোডিয়াম কম কিন্তু পটাশিয়াম ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে। এই নিউট্রেন্টের ব্যালান্স সোর্স হল গাজর।

ওজন কমায়
গাজর খেলে তৃপ্ত হয় মন। যা বেশি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে ক্যালোরি কম মাত্রায় দ্রবীভূত হয়। ওজন কমানোর ডায়াটে তাই গাজর মাস্ট।

Leave a Reply