Monday, February 6

আগামী ২ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব আশেকে রাসূল (স.) সম্মেলন

মামুনুর রশীদ রাজ, স্বদেশ কন্ঠ ডটকমঃ আগামী ২ ফেব্রুয়ারী বাদ ফজর হতে বাদ জুমা পর্যন্ত রাজধানীর মতিঝিলের আরামবাগ বাবে রহমত দেওয়ানবাগ দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব আশেকে রাসূল (স.) সম্মেলন ।

পীরানে পীর দস্তগীর সুলতানুল মাশায়েখ সুলতানিয়া মুজাদ্দেদীয়া তরিকার ইমাম সৈয়দ আবুল ফজল সুলতান আহমদ চন্দ্রপুরি (রহ.) এর শুভ জন্ম বার্ষিকী স্মরণে মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (মা.জি.) হজুর কেবলার আহবানে প্রতিবছরের মত এবারের বিশ্ব মুসলিমের অন্যতম মহাসমাবেশে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ দেশের সমস্ত জেলা হতে লাখ লাখ আশেকে রসূল ও ধর্মপ্রাণ মুক্তিকামী মানুষ যোগদান করবেন। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, সুইডেন, জাপান, সাইপ্রাস, ইটালি ওমান, প্রায় ৩০টি দেশের শতাধিক বিদেশী মেহমান অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন দেওয়ানবাগ শরীফ করতিপক্ষ। বিশ্ব আশেকে রাসূল সম্মেলনের গুরুত্ব, রাসূলের প্রতি প্রেম ও ভালোবাসা, সুফী বাদের তাত্ত্বিক কথা, নামাজে হজুরী, আত্মশুদ্ধি ও একাগ্রচিত্তে নামাজ আদায় ইত্যাদি বিষয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ওলামায়ে কেরামগণ আজ বক্তব্য পেশ করবেন।

জুমার নামাজের পর সম্মেলনের আহবায়ক সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলার ভাষণ শেষে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি হবে। সম্মেলনে সকল আশেকে রাসূল (স.)  ও মুক্তিকামী মানুষকে অংশগ্রহণ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) বলেন, বিশ্ব আশেকে রাসূল (সঃ) আমাদের কাছে চলে আসছে। আল্লাহ চায়তো বুধবার থেকেই আমাদের কার্যক্রম শুরু হবে। কর্মীরা দায়িত্ব ভাগ করে নিবে, যার যার কাজ করবে। সম্মেলনের লক্ষ্য করার বিষয় হচ্ছে সম্মেলনে দেশী-বিদেশী মেহমানরা আসে। বাহিরের আশেকে রাসূলেরাও আসে। কর্মীদেরকে সর্তক থাকতে হবে যেন কারও সাথে কোন রকম খারাপ আচরণ না হয় এবং সবার সাথে সুন্দর এবং ভদ্র ব্যবহার করা হয়।

অনেকে হয়তো জানেনা আশেকে রাসূল সম্মেলন কি? আশেকে রাসূল বলতে রাসূল প্রেমিকদের সম্মেলনকে বুঝায়। রাসূল প্রেমিক যারা তারা সর্বকালের, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রাসূলকে দেখছিলেন। সুতরাং আল্লাহর অলী-কুতুবগণ রাসূল প্রেমিক। তো এই সম্মেলন রাসূল প্রেমিকদেরই সম্মেলন। সর্তক থাকতে হবে যারা আসে সম্মেলনে কেউ যেন অসুন্তুষ্ট না হয়। আর সর্তক থাকতে হবে শয়তান যেন বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে না পরে। সর্তকতার সাথে দেখেই ডিউটি করেন যেন ফেতনা-ফাছাদকারীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে।

তিনি আরো বলেন, সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবে ।

Leave a Reply