Wednesday, February 28

একটি মাত্র পাতা ব্যবহারে কালো ঠোঁট হয়ে যাবে গোলাপি (শিখে নিন কৌশল)

ভিডিওটি দেখতে পোস্টের নিছে চলে যান

এই ভিডিওটি অনলাইন ইউটিউভ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই ভিডিও নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে এর দায়ভার ইউটিউব চ্যানেল নিবে।
আমারা শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য ভিডিও আপলোড দেওয়া হয়েছে।
চিকন থাকতে বেশি বেশি ঝাল খান

একটি মাত্র পাতা ব্যবহারে কালো ঠোঁট হয়ে যাবে গোলাপি (শিখে নিন কৌশল)

ঝাল খাওয়ার কিছু উপকারও আছে কিছু অপকারও রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ঝালে আপকারের থেকে উপকারই বেশি।

ঝাল খাবার খেয়ে ঠোঁট মুখ জ্বলে পুড়ে যায়, ঘাম হয়, মুখের ভেতরে অসস্থি অনুভব হয়। কেউ এটাকে উপভোগ করেন, কেউ আবার এই অনুভূতিগুলো যন্ত্রণা হিসেবে বিবেচনা করে ঝাল খাওয়া থেকে দূরে থাকেন।

ব্যাজিলিয়ান এক গবেষক বলেন, মরিচের একটি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা ক্যাপসাইসিন বলে পরিচিত। এই ক্যাপসাইসিন আমাদের স্বাদ গ্রন্থিতে গিয়ে মিলিত হলে স্বাদ গ্রন্থি তাপমাত্রা এবং ঝালের সংকেত ব্রেনে পাঠায় এবং আমাদের ঝালের অনুভূতি সৃষ্টি হয়।

ঝালের ক্ষতিকর দিকঃ

একটি শ্রুতি কথা প্রচলিত আছে যে লাল মরিচ আমাদের অন্ননালী এবং জিহ্বার ক্ষতি করে। আমাদের ব্রেণ তখন ব্যাথা সংকেত গ্রহন করে। ফলে পাকস্থলি বিপর্যস্ত হয়ে বমি বমি ভাব অথবা বমি হয়। পাকস্থলি বিষ গ্রহণের মতো প্রতিক্রিয়া দেয় এবং ঝাল জাতীয় যে খাবার খাওয়া হয়েছে সেটি বের করে দেয়ার প্রচেষ্টা চালায়। যদি বমি হয়ে যায়, তাহলে যে অ্যাসিড পাকস্থলি থেকে বের হয়ে আসে সেটি অন্ননালীতে বিরক্তির সৃষ্টি করে। বেশি ঝাল মরিচ বিরক্তি বাড়িয়ে দেয়।

২০১৬ সালে মরিচ খাওয়ার প্রতিযোগিতায় অতিরিক্ত মরিচ খাওয়ার কারণে অন্ননালী পুড়ে একজন মারা যান।

ঝালের উপকারি দিকঃ

ঝাল খাওয়ার কিছু উপকারও আছে। গবেষকরা বলছেন, ক্যাপসেইসিন সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যরসিক মানুষদের ক্ষুধা নিবারন করে চিকন থাকতে সহায়তা করে, ক্যালরি দহনের সক্ষমতা বাড়ায়, ব্যাথা কমায়, সাইনাস পরিষ্কার করে, কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদন দমন করে।
ঝালের উপকার পেতে হলে অতিমাত্রার ঝাল পরিহার করে সহনীয় মাত্রার ঝাল বাছাই করতে হবে যা খাবারকে সুস্বাদু করবে। এটা জিহ্বা, অন্ননালী, পাকস্থলির উপরও কম প্রভাব ফেলে।

Leave a Reply