Monday, January 30

এটি বিশ্বের একমাত্র চিড়িয়াখানা যেখানে মানুষকে খাঁচায় বন্দি করে পশুপাখী দেখানো হয়

একমাত্র চিড়িয়াখানা –
আমরা সবাই “চিড়িয়াখানা” শব্দের সাথে পরিচিত। চিড়িয়াখানা মানে বলা হয় পশুদের পার্ক বা সমষ্টিতে পশুদের যেখানে রাখা হয় । সেখানে পশুদের খাঁচায় বন্ধি করে রাখা হয়, সাধারণ মানুষের তা দেখতে দেওয়া হয় এবং সেখানে তাদের বংশবৃদ্ধিও করা হয়।
কিন্তু পৃথিবী জুড়ে কিছু শক্তিশালী দেশে এই নীতি পরিবর্তন করা হয়েছে । কিছু চিড়িয়াখানা প্রমান করেছে যে পশুরা খাঁচায় বন্দি জীবনের চেয়ে মুক্ত পরিবেশ বেশি পছন্দ করে ।
এই নীতি প্রহন করেছে লেহে লিডু ওয়াইল্ডলাইফ চায়নার ছংগকিং শহরে। দর্শনার্থীদের একটি খাঁচায় বন্ধি করে রাখা হয় এবং বাঘ ও ভল্লুকদের ছেড়ে দেওয়া হয়। মানুষদের সেই পার্কে খাঁচার মতো করা এক গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়, একটা ছোট গর্ত থেকে বাঘ, সিংহ ও ভল্লুক দের খাবার দেওয়া হয়ে থাকে।

চিড়িয়াখানার মুখপাত্র চাং লিয়াং বললেন,
“আমরা আমাদের দর্শনার্থীদের শিহরিত করতে চাই, যখন বাঘ সিংহরা আক্রমণ করবে, বাইরে ঘুরে বেড়াবে, অবশ্যই কারুর কোন ক্ষতি হবেনা। দর্শনার্থীদের বাড়ন করে দেওয়া হয় যাতে তারা তাদের আঙুল বা হাত খাঁচার বাইরে না বার করে, কারন ক্ষুধার্ত বাঘ জানেনা কোনটা তার প্রাতরাশ আর কোনটা মানুষ।“
এই এক জিনিস করা হয়ে থাকে ওরানা ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক নিউজিল্যান্ড এবং মাঙ্কি জঙ্গল মায়ামিতে। ওরানা ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক, নিউজিল্যান্ডে ২০ জন দর্শনার্থীদেয় একদফা ভ্রমনের জন্য ১৫ পাউন্ড খরচা নেওয়া হয়, তাদের একটা খাঁচায় ঢোকানো হয়, একজন প্রহরী থাকে এবং তারা দেখে সিংহরা কিভাবে পালিত হচ্ছে।
মাঙ্কি জঙ্গল মায়ামি, ফ্লোরিডা, US এর ট্যাগ লাইন আছে “যেখানে মানুষরা খাঁচা বন্দি আর বাদররা মুক্ত“
লেহে লিডু ওয়াইল্ডলাইফ

টা দেখতে অবিশ্বাস্য হতে পারে কিন্তু চায়নার লেহে লিডু ওয়াইল্ডলাইফ চিড়িয়াখানাতে অদলবদল করা হয়েছে মানুষ ও পশুদের সাধারণ জায়গা । যেখানে সবচেয়ে হিংস্র পশু বাইরে মুক্ত হয়ে ঘুরে বেরায় আর দর্শনার্থীদের খাঁচার বন্দী করে গাড়ি করে পার্ক ঘোরানো হয়। মানুষ তাদের স্বপ্নের ক্ষুধার্ত পশুরাজ সিংহদের একদম সামনে দেখতে পায় ।
ভল্লুক পরিদর্শন করছে একটা হলুদ বাস।

চায়নার চিড়িয়াখানাতে একটা ভল্লুক পরিদর্শন করছে একটা হলুদ রঙের দর্শনীয় স্থানাদিদর্শন বাসকে, যেটা বেষ্টনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

ওরানা ওয়াইল্ডলাইফ, নিউজিল্যান্ড।

দর্শনার্থীদের এই ওয়াইল্ডলাইফ পার্কে খাঁচায় রাখা হয় দেখার সময়।

খাবার উপহার দেওয়া হয়

খাঁচার মধ্যে থেকে দর্শনার্থীরা সিংহ ও বাঘদের খাবার দিতে পারে

খাওয়ানো ট্রিপ

আশ্চর্যজনক
এটা সত্যি এক বড় পদক্ষেপ চিরিয়াখানার কর্মকর্তাদের, এটা সত্যি বোঝা দরকার সভ্য পশু ( মানুষ ) যে পশুরা কি অনুভব করে
মাঝ বয়সের প্রেম ভাল না খারাপ?
আমাদের দেশে এমনিতেই প্রেমের সম্পর্ককে বাঁকা নজরে দেখা হয়৷ তার উপর আবার মাঝ বয়সে প্রেম হলে তো কথাই নেই৷ সেই কারণে এই বয়সে এসে প্রেমের সম্পর্ককে আড়াল করার চেষ্টা চলে৷ একথা প্রমাণিত যে, মাঝ বয়সে এসে অনেকরই প্রেমে পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়৷ অনেকে আবার এই সম্পর্কে জড়িয়েও পড়েন৷ কিন্তু এই প্রেমকে কি অনৈতিক বলা যায়? মাঝ বয়সের প্রেম ভাল না খারাপ? এই বয়সে মানুষ নতুন করে প্রেমে পড়েনই বা কেন? এই প্রেম জীবনে কী প্রভাব ফেলে?
মূলত প্রেম একটি জটিল মনস্তাত্বিক ব্যপার৷ কোন ব্যক্তি কখন, কিভাবে কার প্রেমে পড়বেন তা আগে থেকে বলা মুশকিল৷ তবে প্রেমে পড়ার বেশ কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকলেও থাকতে পারে, বিশেষ করে মাঝ বয়সী প্রেমের ক্ষেত্রে৷
মাঝ বয়সে বা যৌবনের শেষ পর্যায়ে মানুষের মধ্যে কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়৷ এছাড়াও কিছু হরমোলান পরিবর্তনও হয়৷ এই সময় মানুষ কিছুটা চাপের মুখে থাকেন৷ অনেকেই আবার বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন৷ যৌবন চলে যাচ্ছে বলেই তারা অনেকটা মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকেন৷ এর ফলেই নতুন কিছু করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন অনেকে৷
পশ্চিমা দেশগুলোতে এই সমস্যাকে ‘মিডল এজ ক্রাইসিস’ বলে হয়ে থাকে৷ এই ধরণের চেতনার ফলে অনেকে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন৷ এমনকি পরকীয়ার প্রতি আকর্ষিত হন৷ আবিবাহিত মাঝ বয়সীদের এ নিয়ে তেমন সমস্যা না হলেও বিবাহিতদের জীবনে এর কুপ্রভাব পড়ে৷ বিবাহিতরা অন্য কারোর প্রেমে পড়তে তাকে সচরাচর পরকীয়াই বলা হয়ে থাকে৷
পশ্চিমা দেশগুলোতে অনেকেই নির্দিষ্ট বয়স পেড়িয়ে গেলেও বিয়ে করতে পারেন না৷ মনের মতো সঙ্গীর অভাব বা ক্যারিয়ারের পেছনে সময় দিতে গিয়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়৷ অনেকেই স্থির করে ফেলেন সকারাদীবন বিয়ে না করার৷ এই ধরণের মানুষের জীবনে প্রেম একটি আশীর্বাদ৷ তারা নিজের জীবন নতুন করে গুছিয়ে নিতে পারেন৷ ফলে স্বভাবই মধ্য বয়সে প্রেম যে সবসময় খারাপ তা কিন্তু একেবারেই নয়৷
এই একই কথা ডিভোর্সি নারী-পুরুষ বা অল্প বয়সে বিধবাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য৷ এর ফলে তারা নতুন করে জীবনের পথ চলার দিশা খুঁজে পান৷ মত ভারতেও পরকীয়ার হান দিন দিন বেড়ে চলেছে৷ সাংসারে অশান্তি, বিবাহিত জীবনে অসুখী, স্বামী স্ত্রীর মাঝে বনিবনা না থাকার ফলেই মানুষ পরকীয়ার প্রতি আকৃষ্ট হন৷ এর ফলাফল কিন্তু মারাত্মক৷ কারণ পরকীয়া সম্পর্ককে কোনভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব হয়না৷ আমাদের সমাজে এটিকে পাপ বলেই গণ্য করা হয়৷ সংসারে ভাঙন ও ডিভোর্সের মূল কারণ পরকীয়া৷
যৌবন ফুরয়ে যাওয়ার আগে মানুষের মধ্যে যৌনইচ্ছা প্রবল ভাবে বেড়ে যায়৷ এই কারণেও অনেকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন৷ তবে এই ধরণের সম্পর্ক কিন্তু বয়সে অনেকটাই ছোট কারোর সঙ্গেই গড়ে ওঠে৷ ফলে এই ধরণের সম্পর্কের কোন স্থায়ীত্ব থাকে না৷ কেবলমাত্র শারীরিক চাহিদার উপর ভিত্তি করো কোনো সম্পর্কের পরিণতি শুভ হতে পারে না৷ এই ধরণের সম্পর্ক সামান্য কিছু দিনের হলেও এর প্রভাব হতে পারে ব্যপক৷ নৈতিক অবনতি, শারীরিক সমস্যা, সামাজিক গঞ্জনা, এমনকি নাজেক কাছে নিজেকে ছোট মনে হতে পারে৷

Leave a Reply