Monday, January 30

পুলিশ দেখে উঠে বসল ট্রেনে কাটা দ্বিখণ্ডিত দেহ!…

পুলিশ দেখে উঠে বসল- 
ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন এক ব্যক্তি। শরীরের ওপর দিয়ে ট্রেন চলে যাওয়ায় দ্বিখণ্ডিত হয়ে যান তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই নিথর হয়ে যায়।

এর পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহে হাত লাগাতেই উঠে বসেন তিনি। কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করতেই নিজের নাম ও ঠিকানা বলার পর মৃত্যু হয় তার। সোমবার ভারতের নন্দুরবাড় স্টেশনে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

খবরে বলা হয়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নাগাদ নন্দুরবাড় স্টেশনে মালগাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই ব্যক্তি। মৃত ‌যুবক ভাঙা ভাঙা শব্দে জানায় তার নাম সঞ্জু। সে স্থানীয় মালিওয়াড়ার বাসিন্দা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে ‌যুবকের নাম সঞ্জয় নামদেও মরাঠে (৩০)।

আরও পড়ুনঃ
সাতদিন খালি পেটে রসুন-মধু খেলে কী হয়?
কেবল খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করে আসছে। প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত।

এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

রসুন ও মধুর মিশ্রণ
রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।

উপাদান

একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)

প্রণালি

প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।

Leave a Reply