Wednesday, February 8

আজ মুম্বাইয়ের ভরসা মুস্তাফিজের IPL অভিযান শুরু !! চেন্নাইকে উড়িয়ে দিতে একি বলল মোস্তাফিজ !!

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর । এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে কুমিল্লায় চিকিৎসক সহকারীর আত্মহত্যা

কুমিল্লায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এক চিকিৎসকের সহকারী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তার নাম বাপ্পী দাস (৩০)। তিনি কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক কলিম উল্লাহর অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। শনিবার সকালে অফিস কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আত্মহত্যার আগে তিনি তার মৃত্যুর জন্য চারজনকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন।

পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ী এলাকার উত্তম চন্দ্র দাসের পুত্র বাপ্পী দাস দীর্ঘদিন ধরে বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কাবিলা ইস্টার্ন মেডিক্যাল কলেজে এম.এল.এস পদে কাজ কাজ করছেন। কর্মস্থলে শুক্রবার রাতে ডিউটি শেষে বাপ্পী দাস ভোর ৬টায় হাসপাতালের ২য় তলায় ডা. কলিম উল্লাহর কক্ষে যান। হাসপাতালের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি তিনি ডা. কলিম উল্লাহর অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। সকাল ৯টায় হাসপাতালের লোকজন ডাক্তারের কক্ষের দরজা খুলতে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ পায়। অনেক চেষ্টা করেও দরজা খুলতে না পেরে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে বুড়িচং থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন, দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবু ইউসুফ ফসিউজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় কক্ষের মধ্যে সিলিং ফ্যানের সাথে বাপ্পী দাসের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ লাশ নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।

এদিকে বাপ্পী দাসের ব্যবহৃত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভোর ৪টার কিছু পরে তাঁর এই মৃত্যু নিয়ে ৪টি ছবিসহ একটি পোস্ট আপলোড করা হয়। ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘আমার মৃত্যুর জন্য এ ৪ জন দায়ী। ইব্রাহিম আমাকে ইরাক থেকে ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং আমার ফ্যামিলিকেও মেরে ফেলবে বলছে? তার ফোন করে থ্রেট দেওয়া সব রেকর্ড আমার কাছে আছে। প্রথম হলো ইব্রাহিম পিতা নূরুল ইসলাম গ্রাম ভূবনগড়। দ্বিতীয় হলেন খূকি গ্রাম চর্থা বড় পুকুড়পাড় তৃতীয় হলেন ইমরান হোসেন গ্রাম চান্দিনা সে চান্দিনা রেজিস্টার অফিসে কম্পিউটারে কাজ করে চতুর্থ হলেন ফাহিম সরকার গ্রাম মুরাদনগর সে ইমরানের সাাথে থাকে সবসময়। তাদের ছবি দেওয়া হলো। আমি তাদের সুষ্ঠু বিচার চাই প্রশাসনের কাছে।’

এ বিষয়ে বুড়িচং থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের কক্ষ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনে পাওয়া তথ্যগুলি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রজু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply