অথৈ সাগরে মুরসালিনের পরিবার
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর স্কুল গলি লোকে লোকারণ্য। প্রিয়জন হারানোর আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে একটি ঘর থেকে। এরই মধ্যেই অ্যাম্বুলেন্সে মুরসালিনের (২৪) লাশ পৌঁছে ওই গলিতে।
অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলতেই মা বুকফাটা কান্নায় ছেলের লাশের ওপর আছড়ে পড়েন। স্ত্রী বুক চাপড়িয়ে বিলাপ করছেন। তারা বলছেন, আল্লাহ এ তুমি কী করলে। আমরা এখন কাকে নিয়ে বাঁচব।
এই পরিবারটি কে দেখবে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই। রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষে গুরুতর আহত মুরসালিন বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে মারা যান। নিউ সুপার মার্কেটের একটি রেডিমেড কাপড়ের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসাবে চাকরি করতেন তিনি।
দুপুরে মুরসালিনের লাশ আসবে এমন খবরে গোটা এলাকার সর্বস্তরের মানুষ স্কুল গলিতে এসে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় মহিলারা শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখের পানি মুছছিলেন।
প্রতিবেশী মনোয়ার বেগম বলেন, ‘এমন ভালো মানুষটাকে কারা ...
