Thursday, February 2

বাস্তব জীবনেও যারা হিরো হয়ে থাকবেন।-ভিডিওতে দেখুন

ভিডীওতি দেখতে হলে পোস্টের নিছে চলে যান

এই ভিডিওটি অনলাইন ইউটিউভ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই ভিডিও নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে এর দায়ভার ইউটিউব চ্যানেল নিবে।
কিন্তু বাস্তব জীবনে হিরো
আজকের ভিডিওটিতে এমনই কয়জন হিরোর কার্যাবলী দেখানো হয়েছে। যাদের কারনে বেঁচে গেছেন অনেকেই। ভিডিওটি পোস্টের নিচে দেয়া আছে। সরাসরি ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে নিচে চলে যান।

অন্যরা যা পড়ছেঃ পানির নিচে গোপন গুহা!
পানির নীচে গোপন গুহায় খোঁজ মিলল প্রাগৈতিহাসিক বিশ্বের ইতিহাস রচনার উপাদান। পাওয়া গেছে প্রাগৈতিহাসিক পশুর জীবাশ্ম। রয়েছে মায়া সভ্যতার এক ধর্মীয় সৌধের ভগ্নাবশেষও। পানির আধারের নীচে বিশ্বের বৃহত্তম গুহারাজি আবিষ্কার করেন মেক্সিকোর একদল গবেষক। জানুয়ারি মাসে মেক্সিকোর যুকাতান উপদ্বীপে জঙ্গলের মাঝে চুনাপাথরে পানির ধারায় তৈরি হওয়া গহ্বর বেয়ে অভিযানে নামেন তারা।
গবেষণায় জানা গেছে, স্যাক আকতুন এবং দোস ওখোস নামে দুই গুহারাজি আসলে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। কয়েক শতাব্দী ধরে ওই সমস্ত গুহায় জমে থাকা প্রতœ সামগ্রীর হদিশ পেতে স্কুবা সরঞ্জাম নিয়ে পানির আধারের নীচে অভিযানে নামেন বিজ্ঞানীরা।

তাঁদের দাবি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুহার ভিতরে পানির পরিমাণের তারতম্য ঘটেছে। আবার খরার সময় এই গুহারাজির মধ্যে জমা পানিই প্রাণ রক্ষা করেছে। তবে পানির খোঁজে এই সকল গুহায় যে মানুষ ও পশুরা প্রবেশ করেছিল, তারা কেউই বেঁচে ফিরতে পারেনি। সেই সব মৃতদেহের জীবাশ্মই এখন বিজ্ঞানীদের সামনে জ্ঞান-ঐশ্বর্যের ভা-ার খুলে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গুহাগুলোতে ২৬ লাখ বছর থেকে ১১ হাজার ৭০০ বছর আগে প্লেইস্টোসিন যুগের ইতিহাস সংরক্ষিত আছে। পাওয়া গেছে হাতির মতো আকৃতির প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী গোম্ফোথেরাসের জীবাশ্ম। সেই সঙ্গে মিলেছে অতিকায় শ্লথ ও ভালুকের জীবাশ্মও। মিলেছে ঝলসানো মানুষের হাড়, চিনেমাটির বাসনের টুকরো, দেওয়াল খোদাই শিল্পের নমুনা ইত্যাদি।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রতœতত্ত্ববিদ গুইয়ের্মো দে আন্দা জানিয়েছেন, ‘বিশ্বে এত বড় কোনো পানিতে ডুবে থাকা গুহার নমুনা আর নেই। ওখানে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রতœ সামগ্রী রয়েছে। সংরক্ষণের মানও অবাক করার মতো।’ গভীর অরণ্যে ঢাকা পাতালগুহায় পাওয়া গেছে মায়াদের যুদ্ধ ও বাণিজ্য দেবতার একটি সৌধও। প্রাকৃতিক সংরক্ষণের ফলে তার নিখুঁত কারুকাজ আজও অক্ষত।

Leave a Reply