Thursday, June 25

কিশোরগঞ্জ ভৈরবের একাধিক আবাসিক হোটেলে চলছে দেহ ব্যবসা!

আশরাফুল আলম।। কিশোরগঞ্জ, ভৈরব।।

কিশোরগঞ্জ ভৈরব উপজেলায় ভৈরব বাজারে সোনালী আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ । সকাল থেকে শুরু করে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত এ আবাসিক হোটেলটিতে চলে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ । ভৈরব শহর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মাত্র দুইশত গজ দূরে নদীর পাড়ে হলুদ পট্রিতে এ আবাসিক হোটেলটি অবস্থিত। বন্দর নগরী ভৈরব ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে প্রাচীনকাল থেকেই এর গুরুত্ব রয়েছে । আর এ সুবাদে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য দেশ-বিদেশের অনেক ব্যবসায়ীরা এখান থেকে মালা-মাল ক্রয়-বিক্রয় করে থাকেন । আবার অনেক ব্যবসায়ীরা আছেন যারা ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার জন্য আবাসিক হোটেল ব্যবহার করে থাকেন । এ সুবাদে ভৈরববাজারে বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে স্বাগতম হোটেল অন্যতম।হোটেলটিতে বিগত আট নয় মাস আগে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে খদ্দেরসহ বেশ কয়েকজন দেহ ব্যবসায়ী নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ । পরে হোটেলটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয় । কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর হোটেল পরিচালক সবুজ হোটেলের নাম পরিবর্তন করে হোটেল সোনালী নতুন নামে ব্যবসা শুরু করেন । ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জনের জন্য হোটেল মালিক ও পরিচালক সবুজ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কিশোরী, তরুণী সংগ্রহ করে রাতভর অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করে থাকেন । এছাড়াও হোটেলে আগত এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের জন্য মাদক ও যৌন উত্তেজনা ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয় । এসব মাদক ও যৌন উত্তেজনাকর ট্যাবলেট সেবন করে হোটেলে দেহ ব্যবসায়ীদের সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হয় এক শ্রেণীর লোক। আর এ ব্যবসা করে জিরো থেকে হিরো বনে জগন্নাথপুরে ৫ তলা ভবনের নিমার্ণ কাজ শুরু করেছে দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী সবুজ । এছাড়াও ভৈরব শহরের বাসষ্ট্যান্ড ও ভৈরব বাজারের বিভিন্ন গলিতে ,ফ্ল্যাট ও বাসা-বাড়িতে দেহ ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে । এতে করে ভৈরবের যুব সমাজের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে । এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভৈরব থানার জনৈক উপ-পরিদর্শক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ভৈরবে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল,ফ্ল্যাট ও বাসা-বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে গেছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এসব অসামাজিক কার্যকলাপের কারনে ভৈরবের তরুণ ও যুব সমাজের মধ্যে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে । এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাসহ সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

Leave a Reply