Monday, January 30

শুধু সতর্ক হওয়ার জন্য,কেউ খারাপ কাজে ব্যাবহার করবেন না।(ভিডিওসহ)

শুধু সতর্ক হওয়ার জন্য,কেউ খারাপ কাজে ব্যাবহার করবেন না।(ভিডিওসহ)শুধু সতর্ক হওয়ার জন্য,কেউ খারাপ কাজে ব্যাবহার করবেন না।(ভিডিওসহ)শুধু সতর্ক হওয়ার জন্য,কেউ খারাপ কাজে ব্যাবহার করবেন না।)

ঠোঁটে ডার্ক লিপস্টিক লাগাতে পছন্দ করেন? জেনে নিন কিছু টিপস

আমার মতে, ডার্ক একটা লিপস্টিক লাগালেই পুরো লুকে একটা চেঞ্জ চলে আসে। আর কিছুই লাগে না। ইন্সটাগ্রামে যখন মেকাপ আর্টিস্টরা একদম পারফেক্ট ভাবে লিপস্টিক লাগায়,তা দেখতে কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর লাগে।  কিন্তু আপনি লিপস্টিক লাগাতে গেলেই ছড়িয়ে যায়, লাইনিং ঠিক হয় না এবং ডার্ক কালারটি সুন্দর ভাবে ফুটে ওঠে না। ফলে, আফসোস রয়েই যায়।

এছাড়াও অনেকেই আছেন, একটু গাড়ো ধরনের রঙ এর লিপস্টিক পড়ার ইচ্ছা পোষণ করেন ঠিকই, কিন্তু কনফিডেন্স-এর অভাবে ক্যারি করতে পারেন না।

তো, চলুন জেনে নেই কিছু টিপস। যার মাধ্যমে আপনার ঠোঁটেও ডার্ক লিপস্টিক সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে এবং সেটি আপনি পারফেক্টলি ক্যারিও করতে পারবেন।

(১) ডার্ক লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁট দুটিকে তৈরী করে নিতে হবে। ঠোঁটে যদি মরা চামড়া, রিংকেল থাকে, তবে কিন্তু লিপস্টিক ভালোভাবে ফুটে উঠবে না এবং দেখতে বাজে দেখাবে। তাই প্রথমেই একটি লিপ স্ক্রাবার দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাবিং করে নিতে হবে। ঠোঁটে রিংকেল থাকলে যে কোনো হাইড্রেটিং লিপ প্রাইমার লাগিয়ে নিতে পারেন।

(২) ঠোঁটে পিগমেন্টেশন থাকলে যে কোনো ফাউন্ডেশন/ কন্সিলার অল্প একটু নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে নিবেন। এতে করে পিগমেন্টেশন ঢাকা পড়ে যাবে এবং লিপস্টিকের কালার পারফেক্টলি ফুটে উঠবে।

(৩) এরপর আসি লিপস্টিক নির্বাচনে। এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। সবসময় ডার্ক কালারের ক্ষেত্রে এমন লিপস্টিক বেছে নিন যেটি খুবই পিগমেন্টেড। লিকুইড লিপস্টিকগুলো এক্ষেত্রে আপনার বন্ধু হতে পারে। আর কালারের ক্ষেত্রে আপনার মুড অনুযায়ী যে কোনো ডার্ক কালার যেমন, ব্রাউন, বার্গান্ডি, রেড, পার্পল, প্লাম ইত্যাদি কালার বেছে নিন।

(৪) এবার লিপস্টিক লাগানোর পালা। লিকুইড লিপস্টিক ব্যবহার করলে এর সাথে তো ওয়ান্ড আসেই। তবে নরমাল লিপস্টিক লাগাতে চাইলে একটি লিপ ব্রাশ ব্যবহার করবেন। প্রথমে ঠোটের আউটলাইন করে নিবেন ওয়ান্ড/ব্রাশের সাহায্যে। এরপর পুরো ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে নিবেন।

(৫) পুরো ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানো হয়ে গেলে, লিপস্টিক এর কালারের সাথে ম্যাচ করে, এমন একটি কালারের লিপলাইনার নিয়ে ঠোঁটে আবারো আউটলাইন করে নিন। লিপস্টিক লাগানোর পরে আবার লিপলাইনার, শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও এটির মাধ্যমে যদি আপনার লিপস্টিকের লাইনটা এবড়োথেবড়ো হয়ে যায় তবে তার কারেকশন করে ফেলতে পারবেন। যার ফলে আপনার ঠোঁট ডিফাইন একটা লুক পাবে।

(৬) ডার্ক লিপস্টিক ঠোঁটে ম্যাট দেখতেই ভালো লাগে। তাই লিপগ্লসের ব্যবহার না করাই ভালো।তাছাড়া এটি ছড়িয়ে গিয়ে পুরো লুকটাই নষ্ট করে দিতে পারে। তবে আপনি যদি একান্তই দিতে চান, তবে কোনো থিন কনসিস্টেন্সির লিপগ্লস ঠোঁটের মাঝখানের দিকে লাগাতে পারেন।

Leave a Reply