
হোটেল রেডিসনে না গেলে বুঝবেন না মেয়েরা কী জিনিষ!! এক বোতলে শেষ সারারাত হায়রে দুনিয়া! ভিডিওতে দেখুন !!
ভিডিও দেখতে পোস্টের নিছে চলে যান
অক্টোপাসের আটটি পা
সবাই সত্যি জানে—এমন অনেক কথা পরে যাচাই করে দেখা গেছে সেগুলো মিথ্যা। লিখেছেন আসমা নুসরাত
অক্টোপাস নিয়ে কথাবার্তা শেষ হয় না। ২০১৩ সালে ক্যাথরিন হারমোন কারেজ অক্টোপাস নিয়ে যে বইটি লিখেছেন তার নামও অক্টোপাস! দ্য মোস্ট মিস্টিরিয়াস ক্রিয়েচার ইন দ্য সি। সে বই থেকে পাই, অক্টোপাসের হৃদয় তিনটি, অক্টোপাসের প্রাপ্ত প্রাচীনতম ফসিলটির বয়স ২৯৬ মিলিয়ন বছর, অক্টোপাসের রক্ত নীল ইত্যাদি। কথাগুলো মিথ্যা নয়, কিন্তু এমনতর কথা আরেকটি কথার জন্ম দিয়েছে, যেটি সঠিক নয়। সেটি হলো, অক্টোপাসের পা আটটি। আসলে কিন্তু অক্টোপাসের পা দুটি আর বাকি ছয়টি হলো তার বাহু। সামুদ্রিক প্রাণী গবেষকরা ইউরোপের ২০টি প্রাণকেন্দ্রে দুই হাজারবার পর্যবেক্ষণ চালিয়েছেন। তাঁরা সবাই একমত যে ভূমিতে চলার সময় অক্টোপাস সবচেয়ে পেছনের শুঁড় দুটিই ব্যবহার করে। যুক্তরাজ্যের ওয়েমাউথ সি লাইফ সেন্টারের গবেষক ক্লেয়ার লিটল পরিষ্কার করেই বলেছেন, ‘অনেকে আবার ভাবত চারটি শুঁড় দিয়ে অক্টোপাস চলে, আর চারটি খাওয়ার কাজে ব্যবহার করে। কিন্তু আমরা নিশ্চিত, পেছনের শুঁড় দুটিই পা। এমনকি যখন সে সাঁতার কাটে তখনো সামনের ছটি শুঁড় অগ্রসর হওয়ার কাজে, মানে প্রপেলার হিসেবে ব্যবহার করে।’
