
আধুনিকতার নামে কি হচ্ছে এসব,ছি ছি লজ্জায় মাথা শেষ। একবার হলেও দেখবেন
সিলেটের মেয়ে পান্না এবং মালয়েশিয়ান ছেলে সাফওয়ানের বিয়ে! (দেখুন ভিডিওতে)
ভিডিও দেখতে পোষ্টের নিছে চলে যান ।
যেসব কারণে আপনার ত্বকে ব্রণ দুর হতে চাই না বা ক্ষত থেকে যায়
ত্বকের যত্ন নেওয়ার পরও ব্রণ দেখা দিতে পারে। যা সারাতে অজান্তে অনেক ভুল হয়। ফলে অবস্থা আরও খারাপের দিকে যায়।
রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ব্রণের অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার কয়েকটি কারণ এখানে দেওয়া হল।
ব্রণে হাত লাগানো: সবারই ব্রণ দেখা দেয়। তবে যারা এতে হাত লাগায় তাদের অবস্থা অনেক বেশি খারাপের দিকে যায়।
ব্রণে হাত দেওয়া কেবল ক্ষতিই করে না বরং ত্বকে দাগও পড়ে। ত্বকে কোনো সমস্যা হলে তা আবার ঠিকও হয়ে যায়। তবে দাগ পড়লে তা সহজে দূর করা যায় না।
অতিরিক্ত স্ক্রাব করা: ত্বকের যত্নে স্ক্রাব করা জরুরি। তবে ত্বকে যখন এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় তখন তা এড়িয়ে চলাই ভালো। ত্বকে ব্রণ দেখা দিলে এর প্রতি আরও নমনীয় আচরণ করা উচিত। আর ব্রণ থাকা অবস্থা স্ক্রাব করা হলে তা আরও খারাপের দিকেই যায়। তাই ব্রণ না যাওয়া পর্যন্ত হালকা ফেইস ওয়াস ব্যবহার করা উচিত।
ভুল প্রসাধনী ব্যবহার: ত্বকে কোনো কিছু ব্যবহারের আগে সেটার সম্পর্কে ভালো মতো খোঁজ খবর নেওয়া উচিত। পণ্যটি ত্বকের সঙ্গে মানানসই কিনা বা কোন অ্যালার্জির কারণ হয় কিনা তা জানার জন্য প্যাচ টেস্ট করে নিন। তবে যাদের ব্রণের সমস্যা আছে তাদের পরীক্ষামূলক ভাবে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা ঠিক নয়।
অনেক ধরনের পণ্য ব্যবহার: বাজারে নানারকম পণ্য পাওয়া যায়। তাই বলে সব পণ্য ব্যবহার করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অতিরিক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ত্বকের ক্ষতি করে এবং ব্রণ সৃষ্টি করে। তাই সবসময় ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত।
দাগ কমানোর অতিরিক্ত প্রচেষ্টা: ত্বকে ব্রণ হলে দাগ কমানোর জন্য নানান ধরনের প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন। দাগ কমানোর ক্রিম, ব্রণ প্রতিরোধক জেল ইত্যাদি সবকিছুই কম বেশি ব্যবহার করা হয়ে যায়। এটা হয়ত সপ্তাহখানিকের জন্য ব্রণ ওঠা বন্ধ করবে। তবে পুরান ব্রণ খোঁচানোর ফলে নতুন ব্রণ সৃষ্টি হওয়া বন্ধ করবে না।
ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়া: সাধারণত, ত্বক তৈলাক্ত হলে ব্রণ দেখা দেয়। তাই অনেকে মনে করতে পারেন, ময়েশ্চারাইজার এড়িয়ে চললে বাড়তি তেল হবে না। এটা একটা ভুল ধরণা। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ত্বকের সঙ্গে মানানসই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা প্রয়োজন।
অস্বাস্থ্যকর খাবার: স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থ্যের মূল। আর এটা ব্রণের ক্ষেত্রেও সত্য। অস্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য ব্রণ দেখা দেয়। তাই যতটা সম্ভব ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
চাপ: হ্যাঁ, মানসিক চাপও ত্বকের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই চাপ কমাতে ধ্যান করে, বই পড়ে, বেড়াতে গিয়ে বা অন্য যেকোনো কিছু যা আপনাকে শান্ত ও খুশি রাখে তা করুন।
