খী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন। অথচ প্রায়ই দেখা যায় যৌন সমস্যার কারনে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। কিন্তু যৌন স্বাস্থ্যে সমস্যা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যৌন সমস্যা নিয়ে লজ্জায় কেউ আলোচনা করে না।
যার ফলে মনে নানা প্রকার কুসংস্কার লুকিয়ে থাকার দরুন অনেকই চিকিত্সা নিতে গিয়েও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কারণ আমাদের আশেপাশে তথাকথিত হারবাল, কবিরাজ, ভেষজ নামধারী ভুয়া যৌন ডাক্তারদের অভাব নেই। দেখা যায়, সাধারণ মানুষজনই তাদের খপ্পরে বেশি পড়ে থাকে আর যৌন শক্তি আগে যতটুকু ছিল তাদের চিকিত্সা নিতে নিতে একসময় সেটাও হারাতে বসে। ভাল ভাবে শুনে রাখুন – প্রকৃত কোন সমস্যা না থাকলে আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোন প্রকার ঔষধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট।
প্রিয় পাঠক, আপনারা অনেক...
বাংলাদেশের লভ্যাংশ নিয়ে আইসিসিতে নিজের প্রথম মিটিংয়েই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তার দাবি ছিল, বাংলাদেশকে কম টাকা দেওয়া হয়। পরে হিসাব করে দেখা যায় আসলেই বাংলাদেশ অনেক কম পায়।
‘আমি যখন আইসিসির কমিটির মিটিংয়ে প্রথম যাই তখন একটা অবজেকশন করেছিলাম। বলেছিলাম তোমরা যে টাকাটা ভাগ করো এটার বেসিসটা কী? আমি তখন হিসাব না করেই ওদের চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যে বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়ে যে টাকা পাচ্ছে, সেটা অনেক কম অন্যদের চেয়ে।’ শুক্রবার গুলশানে নিজ বাসভবনে এসব কথা বলেন নাজমুল।
নাজমুলের দাবি তার কথা শুনেই সবার টনক নড়ে, ‘এটা নিয়ে যখন আলোচনা শুরু হলো, তখন দেখা গেল আসলেই বাংলাদেশ কম টাকা পায়। এত কম পাওয়ার কথা নয়। তখন সবাই রাজি হয় যে বাংলাদেশের
বেশি টাকা প্রাপ্য।’
‘আমরা আইসিসির কাছে কোনও ডোনেশন কিংবা করুণা চাইনি। শুধু জানতে চেয়েছি কেন বাংলাদেশ কম পাচ্ছে। আমি নিশ্চিত যেভাবেই হ...
ডেস্ক: ক্রিকেটে তিন মোড়ল, সাথে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) নিজেদের আর্থিক বিষয় নিয়ে কম জল ঘোলা করেনি ক্রিকেটের শক্তিধর দেশ ভারত।
তবে শেষপর্যন্ত আইসিসিতে করুণ হারই দেখতে হয়েছে তাদের। আইসিসির নতুন আর্থিক মডেলই মেনে নিতে হচ্ছে ভারতকে। পাওয়া হচ্ছে না অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন ডলার।
ভারতের এমন দাবির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে আট দেশ। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে বাংলাদেশও। ভারত যে অন্যায্যভাবে বেশি অর্থ দাবি করে আসছে সেটা বুঝতে সমস্যা হয়নি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনেরও। তাই তো তার দৃষ্টিতে ভারত হচ্ছে এমন এক দেশ, যারা টাকার পাগল।
দুবাইতে আইসিসির সভা শেষ কেরে দেশে ফিরেছেন বিসিবি সভাপতি। দেশে ফিরে শুক্রবার কথা
বলেছেন গণমাধ্যমের সাথে। সেখানে ভারত প্রসঙ্গে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘ভারতের মূল ব্যাপার হলো, তারা শুধু টাকা চায়। তাদের সব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কিন্তু বাংলাদেশ বেশি ...
২৭ এপ্রিল চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি নিয়ে কথা বলেন বাপ্পারাজ।
তাঁর মতে, পরিচালক সমিতি চাইলে চলচ্চিত্রের উন্নতি করতে পারে। কিন্তু তারা কোনো কাজ না করে একজন আরেকজনের পেছনে লাগছে।
শুধু তাই নয়, শাকিব খানের পক্ষ নিয়ে বাপ্পা বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের এক নম্বর অভিনেতা তিনি। কেউ যদি দাবি করে
শাকিব খানকে তিনি তৈরি করেছেন তাহলে শাকিবও বলতে পারেন, তিনি ওই পরিচালককে হিট ছবি দিয়েছেন! আমাদের দেশের মানুষ কখনোই একজনকে ওপরে উঠতে দেয় না, কেউ উঠতে চাইলে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হয়।
পরিচালক সমিতির কারো সঙ্গে দ্বন্দ্ব হলেই তারা তাকে শত্রু বানিয়ে ফেলে। এটা ঠিক নয়। ’ বাপ্পার এমন মন্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ও মহাসচিব বদিউল আলম খোকন। ক্ষুব্ধ অন্য পরিচালকরাও।
খোকন বলেন, ‘বাপ্পারাজ শুধু অভিনেতা নন, তিনি পরিচালকও। একজন পরিচালক হয়ে তিনি কিভাবে আমাদের ছোট করেন! তাঁর কাছ...
বাংলাদেশের তলদেশে যে শক্তি জমা হচ্ছে তা যেকোন সময় একটি বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেজ্ঞরা। আর এর ফলে এ অঞ্চলের ১৪ কোটি মানুষ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবদনে সম্প্রতি এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপটির নিচে যে দুটি টেকটনিক প্লেট আছে এবং টেকটনিক প্লেট দুটির মাঝে যে ফল্ট লাইন আছে তা থেকে সৃষ্ট ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক বন্যা ও নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষকে এই নদীর উপর নির্ভর করতে হয়।
গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, যেহেতু এখানে গত ৪০০ বছর ধরে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে ফলে তা যেকোন সময় রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার মতো শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন ভূপদার্থবিদ ভারতীয় উপমহাদেশের নিচে একটি অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন, যেখানে একটি টেকটনিক প্লেট অন...
এক সময় দেশে জমিদারদের বিপুল প্রতাপ-প্রতিপত্তি ছিল। জমিদারের বাড়ির আশপাশ দিয়ে জুতো পায়ে হাঁটার সাধ্য ছিল না কারো। প্রখর রোদে কিংবা অঝোর ধারার বৃষ্টির মধ্যে জমিদারবাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া যেত না ছাতা মাথায় দিয়ে। জমিদারের মুখের কথাই ছিল আইন।
কিন্তু সেকালের কোনো জমিদার জীবনে যে পরিমাণ পয়সা দেখেছেন, একালের দুঃখী ভিখারির ঝুলিতেও থাকে তার চেয়ে বেশি। সে আমলে কয়েক থানা বা মহকুমা এলাকা ঘুরেও একজন কোটিপতির দেখা পাওয়া কঠিন ছিল। এখন পাড়া-মহল্লায় কোটিপতির ছড়াছড়ি, তবুও যেন অনেকটাই নিঃস্ব তারা। চাইলেই কোনো কিছু পাওয়ার ক্ষমতা নেই তাদের। সেকালের পয়সার সঙ্গে একালের টাকার বড় অঙ্কের নোটগুলোর ক্রয়ক্ষমতার ব্যবধানই এখনকার কোটিপতিদের সঙ্গে সেকালের পয়সাওয়ালাদের দূরত্ব নক্ষত্র সমান করে রেখেছে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও ২০ টাকায় এক মণ চাল পাওয়া যেত, ১ পয়সায় মিলত চকোলেট। ১৯৭৪ সালে চালের দাম বেড়ে প্রতিমণ ৪০ টাকায় পৌঁছলে দে...