Tuesday, April 28

ইসলাম

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী বিদেশে থাকলে স্ত্রীর করণীয় কি ?

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী বিদেশে থাকলে স্ত্রীর করণীয় কি ?

ইসলাম
স্বামী বিদেশে থাকলে তার দ্বীন ও দুনিয়া বিষয়ক সকল কিছুর দায়িত্বশীলা হয় স্ত্রী। স্বামী ঘরে থাকতে যে দায়িত্ব সে পালন করে, সে ঘরে না থাকলেও অনুরূপ দায়িত্ব পালনে তৎপর থাকে।আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই দ্বায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব-বিষয়ে (মিয়ামতে) কৈফিয়ত করা হবে। ইমাম (রাষ্ট্রনায়ক তার রাষ্ট্রের) একজন দায়িত্বশীল, সে তার দায়িত্ব-সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। পুরুষ তার পরিবারে দায়িত্বশীল, সে সে তার দায়িত্ব- বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। মহিলা তার স্বামী-গৃহের দায়িত্বশীল, সে তার দায়িত্ব- বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। চাকর তার মুনিবের অর্থের দায়িত্বশীল, সে তার দায়িত্ব- বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব- বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে।”(বুখারী ৮৯৩, ৫১৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ১৮২৯) দায়িত্বশীলা আদর্শ স্ত্রীর দুই চেহারা হতে পারে ন...
হযরত মোহাম্মদ (স.) গরুর গোস্ত সম্পর্কে যা বলেছেন জানলে অবাক হবেন !!

হযরত মোহাম্মদ (স.) গরুর গোস্ত সম্পর্কে যা বলেছেন জানলে অবাক হবেন !!

ইসলাম
গরুর গোস্ত সম্পর্কে – গরুর গোশত সবারই প্রিয়। অন্যান্য ভোগযোগ্য হালাল পশুর চেয়ে গরুর চাহিদাই বেশি। একতো সহজলভ্য অন্যদিকে কড়া দাম। গরুর গোশত তাদের কাছে মজাদার ও প্রিয় যারা দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত। কিন্তু এ শ্রেণির মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম। প্রতিদিনই প্রতি ঘরে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়বেটিস, হৃদরোগ, হাই-পেসারসহ সব দুরারোগ্য ব্যাধিতে ডাক্তাররা বিশেষত গরুর গোশত খেতে নিষেধ করেএখন দেখা যাক, ইসলাম কী বলে ? এ বিষয়ে ইসলামের সমাধান কী ? এত বড় ক্ষতিকর জিনিসই যদি হয় তাহলে ইসলামে কী এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। অবশ্যই আছে। আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে মানবতার নবী, উম্মতের প্রতি দয়াল নবী মুহাম্মাদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গরুর গোশতের ব্যাপারে উম্মতকে সর্তক করে গেছেন। কিন্তু আমরা শরীয়তের অন্যান্য বিষয়ের মত এ বিষয়টিও আমরা অবহেলা করেছি। যার দ্রুন মারাত্মক ব্যাধি আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে।...
আজ পবিত্র শব-ই মেরাজ, ভুলে যাবেন না যেন!

আজ পবিত্র শব-ই মেরাজ, ভুলে যাবেন না যেন!

ইসলাম
পবিত্র শব-ই মেরাজ – লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ হিসাবে আখ্যায়িত হয়, হচ্ছে ইসলাম ধর্মমতে যে রাতে ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.) ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেছিলেন এবং স্রষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন সেই রাত। মুসলমানরা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে এই রাতটি উদযাপন করেন। ইসলামে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যাবশ্যক অর্থাৎ (ফরজ) নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়। মুহাদ্দিসীনগণ বলেছেন—দুনিয়ার রাজা-বাদশাহদের আগমনে যেমন জনতা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, তার সম্মানে সব যানবাহন, মানুষের কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকে— তেমনিভাবে মহানবী (স)-এর আগমনে তামাম ব্রহ্মাণ্ডের কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। এখানে স্বাভাবিক প্রশ্ন হতে পারে যে, মেরাজের এমন মর্যাদাপ...
মরিয়মের স্বামী না থাকা সত্ত্বেও সন্তান হযরত ঈসা (আঃ) কিন্তু হাদিস কি বলে…

মরিয়মের স্বামী না থাকা সত্ত্বেও সন্তান হযরত ঈসা (আঃ) কিন্তু হাদিস কি বলে…

ইসলাম
মরিয়মের স্বামী না থাকা সত্ত্বেও- ঈসা (আঃ)-এর আলোচনা করতে গেলে তাঁর মা ও নানীর আলোচনা আগেই করে নিতে হয়। কারণ তাঁদের ঘটনাবলীর সাথে ঈসার জীবনের গভীর যোগসূত্র রয়েছে। পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণের শরী‘আতে প্রচলিত ইবাদত-পদ্ধতির মধ্যে আল্লাহর নামে সন্তান উৎসর্গ করার রেওয়াজও চালু ছিল। এসব উৎসর্গীত সন্তানদের পার্থিব কোন কাজকর্মে নিযুক্ত করা হ’ত না। এ পদ্ধতি অনুযায়ী ঈসার নানী অর্থাৎ ইমরানের স্ত্রী নিজের গর্ভস্থ সন্তান সম্পর্কে মানত করলেন যে, তাকে বিশেষভাবে আল্লাহর ঘর বায়তুল মুক্বাদ্দাসের খিদমতে নিয়োজিত করা হবে। তিনি ভেবেছিলেন যে পুত্র সন্তান হবে। কিন্তু যখন তিনি কন্যা সন্তান প্রসব করলেন, তখন আক্ষেপ করে বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমি কন্যা প্রসব করেছি’? (আলে ইমরান ৩৬)। অর্থাৎ একে দিয়ে তো আমার মানত পূর্ণ হবে না। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল অন্যরূপ। তিনি উক্ত কন্যাকেই কবুল করে নেন। বস্ত্ততঃ ইনিই ছিলেন মারিয়াম ...
হযরত নূহ (আঃ) এর কওমের উপর আরোপিত গযবের কাহিনী !!

হযরত নূহ (আঃ) এর কওমের উপর আরোপিত গযবের কাহিনী !!

ইসলাম
আল্লাহ বলেন, مِمَّا خَطِيئَاتِهِمْ أُغْرِقُوْا فَأُدْخِلُوْا نَاراً فَلَمْ يَجِدُوْا لَهُم مِّن دُوْنِ اللَّهِ أَنصَاراً- ‘তাদের পাপরাশির কারণে তাদেরকে (প্লাবনে) ডুবিয়ে মারা হয়েছিল। অতঃপর তাদেরকে (কবরের) অগ্নিতে প্রবেশ করানো হয়েছিল। নূহের প্লাবন ও গযবের কুরআনী বিবরণ : এ বিষয়ে সূরা হূদে পরপর ১২টি আয়াত নাযিল হয়েছে। যেমন, চূড়ান্ত গযব আসার পূর্বে আল্লাহ নূহ (আঃ)-কে বললেন, وَاصْنَعِ الْفُلْكَ بِأَعْيُنِنَا وَوَحْيِنَا وَلاَ تُخَاطِبْنِيْ فِي الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا إِنَّهُم مُّغْرَقُوْنَ، وَيَصْنَعُ الْفُلْكَ وَكُلَّمَا مَرَّ عَلَيْهِ مَلأٌ مِّن قَوْمِهِ سَخِرُواْ مِنْهُ قَالَ إِن تَسْخَرُوْا مِنَّا فَإِنَّا نَسْخَرُ مِنكُمْ كَمَا تَسْخَرُونَ، فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ مَن يَّأْتِيهِ عَذَابٌ يُخْزِيْهِ وَيَحِلُّ عَلَيْهِ عَذَابٌ مُّقِيمٌ، حَتَّى إِذَا جَاءَ أَمْرُنَا وَفَارَ التَّنُّورُ قُلْنَ...
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মিল-মহব্বত সৃষ্টিতে যে আমল করতে ভুলবেন না

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মিল-মহব্বত সৃষ্টিতে যে আমল করতে ভুলবেন না

ইসলাম
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে – প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।’এ গুণবাচক নামগুলোর আলাদা আলাদা আমল এবং অনেক উপকার ও ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلْوَدُوْدُ) ‘আল-ওয়াদুদু’ একটি। এ পবিত্র নামের আমলে স্বামী-স্ত্রী অমিল ও দূরত্ব কমে যায়। আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلْوَدُوْدُ) ‘আল-ওয়াদুদু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : ‘আল-ওয়াদুদু’ অর্থ : ‘প্রকৃত বন্ধু’; যে তাঁর অনুগত ও তাঁর দিকে ফিরে আসে তিনি তাকে ভালোবাসে। তাদের প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি তিনি ইহসানকারী। আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْحَكِيْمُ)-এর আমল ফজিলত >> স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যদি মিল মহব্বত কমে যায় বা উভয়ের মাঝে বনিবনা না হয় বা তাদের একজন অপর জনের ওপর অসন্তুষ...
বেহেশতে পুরুষের জন্য থাকছে হুর, কিন্তু নারীর জন্য কী?…

বেহেশতে পুরুষের জন্য থাকছে হুর, কিন্তু নারীর জন্য কী?…

ইসলাম
পুরুষের জন্য থাকছে হুর- হুর শব্দটি হাওরা শব্দের বহুবচন। আরবি ভাষায় হাওরা শব্দটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ। যার অর্থ নারীসঙ্গী। স্ত্রীবাচক একবচন শব্দের বহুবচন কখনও উভয়লিঙ্গ হতে পারে না। বরং স্ত্রীবাচক একবচনের বহুবচনও স্ত্রীবাচকই হয়। অতএব, হুর শব্দের অর্থ শুধু ‘সঙ্গী’ নয়। যা নর-নারী উভয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। বরং হুর শব্দের অর্থ হবে বহু নারীসঙ্গী। আল্লাহতায়ালা সূরা আর রাহমানের ৭২ নম্বর আয়াতে হুর শব্দের বিশেষণ এনেছেন মাকসুরাত। এই শব্দটিও একটি স্ত্রীবাচক বহুবচন। আর আরবি ভাষায় বিশেষণ ব্যবহৃত হয় বিশেষ্যের লিঙ্গ অনুযায়ী। সে হিসেবে বলা চলে, হুর একটি স্ত্রীবাচক শব্দ। তদুপরি আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে হুরদের দৈহিক অবয়বের যে সব বিবরণ দিয়েছেন, তা পুরুষের অবয়বের জন্য প্রযোজ্য নয়। সে সব বিবরণ নারীর অবয়বের জন্য শোভনীয়। যেমন, ‘তাদের (হুর) করেছি কুমারি, সোহাগিনী, সমবয়ষ্কা।’ –সূরা ওয়াকিয়া: ৩৬-৩৭ ‘ম...
ঘরে যদি শুধু স্বামী স্ত্রী থাকে কোনো কাপড় না পড়ে কি ঘুমানো যায়? জেনে নিন ইসলাম কি বলে!

ঘরে যদি শুধু স্বামী স্ত্রী থাকে কোনো কাপড় না পড়ে কি ঘুমানো যায়? জেনে নিন ইসলাম কি বলে!

ইসলাম
ঘরে যদি শুধু স্বামী স্ত্রী- লজ্জাস্থান অপ্রয়োজনে খুলে রাখা বৈধ নয়। পর্দার ভেতরে প্রয়োজনে তা খুলে রাখায় দোষ নেই। যেমন মিলনের সময়, গোসলের সময় বা প্রস্রাব পায়খানার করার সময়। অপ্রয়োজনের সময় লজ্জাস্থান আবৃত রাখা ওয়াজেব। নবি (সঃ) বলেছেন, “তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট লজ্জাস্থানের হেফাজত কর।” সাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রাসুল! লোকেরা আপসে এক জায়গায় থাকলে?’ তিনি বললেন, “যথাসাধ্য চেষ্টা করবে, কেউ যেন তা মোটেই দেখতে না পায়।” সাহাবী বললেন, ‘ হে আল্লহর রাসুল! কেউ যদি নির্জনে থাকে?’ তিনি বললেন, “মানুষ অপেক্ষা আল্লাহ এর বেশী হকদার যে, তাকে লজ্জা করা হবে।” ৬১৪ (আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, মিশকাত ৩১১৭ নং) তাছাড়া উলঙ্গ অবস্থায় ঘুমালে আকস্মিক বিপদের সময় বড় সমস্যায় পড়তে হবে। সুতরাং সতর্কতাই বাঞ্ছনীয়। এখানে “তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট লজ্জাস্থানের হেফাজত...
মসজিদের জন্য রাস্তা নির্মাণে জমি দিলো হিন্দুরা !!

মসজিদের জন্য রাস্তা নির্মাণে জমি দিলো হিন্দুরা !!

ইসলাম
জমি দিলো হিন্দুরা !! বিবিধের মাঝে মহান মিলনের সাক্ষী থাকলো নতুন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির। তাও আবার ভারতের বহু বিতর্কিত রাম জন্মভূমির রাজ্য যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ। মসজিদে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য জমি দান করলো হিন্দুরা উল্লেখযোগ্য এই ঘটনাটি ঘটেছে অযোধ্যায় বিতর্কিত রাম জন্মভূমি বা বাবরি মসজিদের জমি থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে। উত্তর প্রদেশের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত সন্ত কবিরনগর জেলার সেমরিওয়ান ব্লকের থাওয়াইপার গ্রাম। বেশ ছোট গ্রামের এক প্রান্তে রয়েছে মসজিদ। দীর্ঘ দুই দশক ধরে অত্যন্ত সরু এবং নোংরা রাস্তা পেরিয়ে প্রার্থনার জন্য মসজিদে যেতে হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের। স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক মুনাওয়ার হোসেন জানিয়েছেন যে ১৯৬৩ সালে তত্‍কালীন গ্রামের প্রধান গ্রামে এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। গত তিন দশক ধরে মসজিদের যাওয়ার রাস্তাটা খুব খারাপ হয়ে রয়েছে। মসজিদে যাতায়াত করতে খু...
জুমার দিনে ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করলেই মাফ হতে পারে ৮০ বছরের গুনাহ!…

জুমার দিনে ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করলেই মাফ হতে পারে ৮০ বছরের গুনাহ!…

ইসলাম
জুমার দিনে ছোট্ট এই দোয়াটি- মহান আল্লাহ রাব্বলি আলামিন বিশেষ কিছু সওয়াব নিহিত করেছেন জুমার দিনের আমলে। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় বিশেষ কিছু সওয়াব পাওয়ার আশায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায়ে বেশি মনোযোগী হয়ে থাকে। এসব বিশেষ আমলের মাঝে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে গুনাহ মাফ ও বিভিন্ন নফল ইবাদতের সুযোগ। তবে গুনাহ মাফসহ সকল নফল ইবাদত কবুল করার মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। তাই তার সৃষ্ট বান্দা হিসেবে একচিত্তে আমাদেরকে এক আল্লাহরই ইবাদতে মশগুল হতে হয়। জুমার দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে হযরত আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত রাসূল পাক (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসর নামাজের পর না উঠে ওই স্থানে বসা অবস্থায় ৮০ বার নিম্নে উল্লেখিত দরুদ শরিফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমল নামায় লেখা হবে দোয়াটি হলো : আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্...