নিম্নবিত্তের পাতে মাংস তোলা যেন দায়!
রোজায় সব শ্রেণির মানুষ তার সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবার খেতে চান। সে উপলক্ষ্যে বেড়ে যায় সব ধরনের মাংসের কদর। আর এই চাহিদা ঘিরে অসাধুর ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফার ছক তৈরি করে। বাড়ানো হয় দাম। প্রতিবছরের মতো এবারও একই ঘটনা ঘটেছে। মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে গরুর মাংস ৭০০ ও খাসির মাংস ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৭৫ ও দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ফলে মাংস কিনে নিম্নবিত্তের পাতে তোলা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আয়ের তুলনায় ব্যয় বাড়ায় পণ্যটি কিনতে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। বিষয়টি এমন হয়েছে-‘সাধ আছে, যেন সাধ্য নাই’।
রোজা ঘিরে অসাধু বিক্রেতা শবেবরাতের আগের দিন গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের দাম বাড়িয়েছে। এর মধ্যে রোজার আগে আরেক দফা দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেই বাড়তি দরেই সব শ্রেণির ক্রেতাকে মাংস কিনতে হচ্ছে। এদিকে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিবছর স...
