Breaking News
Home / Uncategorized / এনটিভিতে হাবীব শাকিলের ‘পরের মেয়ে’

এনটিভিতে হাবীব শাকিলের ‘পরের মেয়ে’

বিনোদন প্রতিবেদক

বউ শ্বাশুড়ির গল্প মানেই এক ধরনের রেষারেষি। শ্বশুড়বাড়িতে ছেলের বৌকে পরের মেয়ে ভাবা হয়। নানা শাররীক ও মানসিক যাতনার মধ্যে দিয়ে বৌ’দের দিনগুলো অতিবাহিত করতে হয়। আবার অনেক সময় বৌয়েরা স্বামীর বাবা মাকে দুরে ঠেলে দেয়। এই নেতিবাচক গল্পগুলোর বিপরীতে দাড়িয়েছে আমাদের এই ‘পরের মেয়ে’ গল্পটি। এই গল্পটির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি ম্যাসেজ দেবার চেষ্টা করেছি আমরা। রক্তের সম্পর্ক থেকে ভালোবাসার সম্পর্ক গভীর। ত্যাগ আর ভালোবাসাই আপন ও পরের মধ্যকার সব ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলতে পারে- কথাগুলো বললেন সময়ের আলোচিত তরুণ নির্মাতা হাবীব শাকিল। তার পরিচালনায় এনটিভিতে শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘পরের মেয়ে’।

নাটকটি প্রচার শুরু হবার সাথে সাথেই দর্শক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এর কারণ নাটকটি কাহিনী, প্রেক্ষাপট, গতি ও নিমার্ণশৈলী। বর্তমানের গদবাধা নাটকগুলো যখন পরিবার ও সমাজের নানা অবক্ষয়, অবনতি বা কোন্দল তুলে আনার চেষ্টা করছে ঠিক সেই সময় ‘পরের মেয়ে’ নাটকটি মানুষের আত্ত্বিক সম্পর্কে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। যা সবার কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’-এর ব্যানারে নির্মিত এ নাটকটি প্রযোজনা করেছেন কাজী রিটন। নাটকটি প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে এনটিভিতে প্রচারিত হচ্ছে।

সৈয়দ জিয়া উদ্দিনের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করছেন হাবীব শাকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন- সাদিয়া জাহান প্রভা, ইন্তেখাব দিনার, গোলাম কিবরিয়া তানভীর, শিশির আহমেদ, টয়া, শাওন, ইলোরা গওহর, আদৃতা, আল মামুন, মনিরা ইউসুফ মেমী, আশরাফুল আশীষ, হিন্দোল রায়, গোলাম হায়দার কিসলু প্রমুখ।

নাটকটির কাহিনী সম্পর্কে পরিচালক জানান- পরিবারের অসম্মতিতে বাউন্ডুলে মিতুলকে ভালোবেসে বিয়ে করে মেধাবী ছাত্রী নাজিফা। এর ফলে নাজিফার বাবা, মেয়েকে ত্যাজ্য করেন। নাজিফার প্রতি মমত্ব অনুভব করে তার শ্বাশুড়ি। এর মাঝেই জন্ম নেয় আরিয়ানা। মেয়ের বয়স যখন মাত্র ছয় মাস, তখন নাজিফার জীবনে সব থেকে বড় আঘাত আসে। গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মিতুল খুন হয়ে যায়। সন্তান আর শ্বাশুড়ির জীবন বাঁচাতে ঢাকা শহরে ছোট চাকুরী শুরু করে নাফিজা। মা এসে মেয়ের সাথে আবার সম্পর্ক গড়ে তুলেন। কিন্তু নাজিফার বাবার সাথে মেয়ের সম্পর্ক আগের মতোই থেকে যায়।

বিধবা বৌমা ও নাতনির নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য নাফিজার শ্বাশুড়ি পুত্রবধুর আবার বিয়ে দিতে চান। সেসময় নাজিফাদের অফিসের দায়িত্ব নিয়ে আসেন চেয়ারম্যানের ছেলে শায়ান। সব জেনেও সে নাজিফাকে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। কিন্তু তাদের সম্পর্কে বাঁধ সাধেন শায়ানের বাবা মা। তারা বিবাহিতা ও সন্তানের মাকে পুত্রবধু হিসেবে মেনে নিতে চান না। অন্যদিকে বিয়ের পর অসুস্থ শ্বাশুড়ি আম্মা কোথায় থাকবে- এই নিয়ে নাজিফা ভাবনায় পড়ে। যত সমস্যা আর বাধা সামনে এসে দাড়াক না কেন ভালোবাসা আর আত্ত্বিক সম্পর্কের কারনে পুরো পরিবারটাই একটা সময়ে মধুর সমাপ্তি দিকে এগিয়ে চলে।

About News Desk

Leave a Reply