Sunday, February 5

দেখুন এক সৎ সাহসী ট্রাফিক পুলিশকে। যিনি রাষ্ট্রপতির গাড়ি আটকে মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচালেন

দেখুন এক সৎ সাহসী ট্রাফিক পুলিশকে। যিনি রাষ্ট্রপতির গাড়ি আটকে মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচালেনঃ পুলিশ বলতেই আমরা এখন একজন অসৎমানুষকেই বুঝি। যিনি মন্ত্রী আমলাদের তোষামদ করতেই সবসময় ব্যাস্থ্য। কিন্তু এসব খারাপ মানুষের ভীরে

কিছু সৎ ও সাহসী পুলিশ অফিসারও আছে। যাদের কারনে সাধারন মানুষ এখনও নিরাপদ। তেমনই  এক ট্রাফিক পুলিশ রাষ্ট্রপতির গাড়ি আটকে এক রোগীর এম্বুলেন্স যেতে দিলেন। যা দেখে রাষ্ট্রপতিও খুশি হয়ে তাকে পুরষ্কার দিলেন। দেখুন ভিডিওতে।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

সত্যিই ভয়ঙ্কর : শ্বশুরের লালসার হাত থেকে নিজের সম্মান বাঁচাতেযা করলেন গৃহবধূ

শ্বশুরের লালসার শিকার থেকে নিজের সম্মান বাঁচাতে এক গৃহবধূ যা করলেন, তা সত্যিই ভয়ঙ্কর। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পূর্ব মেদিনীপুরে।

১৫ জানুয়ারি শ্বশুরের লালসার হাত থেকে বাঁচার জন্য তাকে ধারল অস্ত্র দিয়ে খুন করলেন বর্ষা মাইতি নামে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার রাত্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, স্বামীর অনুপস্থিতিতে তাঁকে ধর্ষন করার চেষ্টা করেছিলেন তাঁর শ্বশুর নিখিল মাইতি।

তাই নিজের সম্মান বাঁচাতেই তাঁকে খুন করতে বাধ্য হন বর্ষা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমন করার পরেই প্রাণ হারান নিখিল মাইতি। ঘটনার জেরে যথেষ্ট ভয় পেয়ে যান বর্ষা। পরে তার স্বামী শুভ মাইতি বাড়িতে ফিরে এলে পুরো ঘটনার তাকে খুলে বলেন বর্ষা।

মৃতদেহ সরিয়ে ফেলার জন্য দম্পতি করাত দিয়ে দেহ থেকে হাত পা কেটে আলাদা করে। তারপর বস্তায় ভরে তাদের বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে পাশকুড়া থানার পার্শ্ববর্তী আড়র গ্রামের খড়িবনের মাটিতে পুঁতে দেয়।

Leave a Reply