
কি বিশ্বাস হচ্ছে না!- টাইটেল তা ঠিকই পড়েছেন। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ও স্বচ্ছ কাঁচের সেতু। এতটাই স্বচ্ছ যে এটা পেরোনোর সময় মনে হয় কেউ শূন্যের উপর দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এখানে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির কাঁচ ব্যাবহার করা হয়েছে।
বড় বড় সাহসীরাই যেখানে হোঁচট খায় মানে ভয়ে প্যান্ট নষ্ট করে দেয়ার উপক্রম। সেখানে তো অন্যদের কথা বলাই বাহুল্য। কারন শোনা গেছে সাহস নিয়ে অনেকে এখানে এসেও ব্রিজে না উঠে আবার ফিরে গেছে। বিশ্বাস না হলে ভিদিওতেই দেখুন।
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন। ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন।
ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।
আরো পড়ুনঃ
প্রেমিকের ফোন পেয়ে বিমান থামাতে বাধ্য করলো তরুণী!
ইঞ্জিন চালুর পরপরই মেয়েটির চিৎকার করে ওঠেন তাকে নামিয়ে দেয়ার জন্য। নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেন প্রথমে পরে জানা যায় আসল ঘটনা। মেয়েটির প্রেমিক বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান করছে এবং তাকে ফোন করে। আর ফোন পেয়েই তিনি চিৎকার করে ওঠেন। তখন তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
পরে তাদের দুইজনকে আটক করে থানায় আনা হয়। রোববার (৪ মার্চ) দুপুরে তাদের ৫৪ ধারায় যশোর সদর আমলী আদালতে নেয়া হলে বিচারক তরুণী সাদিয়া ও তার কথিত প্রেমিক রায়হান হোসেনকে কারাগারে প্রেরণ করে। যশোরে চিৎকার করে বিমান থেকে নেমে আসা তরুণী সাদিয়া ও তার কথিত প্রেমিক রায়হান হোসেনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
রোববার বিকেলে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাদের ৫৪ ধারায় আদালতে নিলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের যশোরের ব্যবস্থাপক সাব্বির হোসেন জানান, গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের জন্য ইঞ্জিন চালু হলে সাদিয়া নামে ওই যাত্রী নেমে যাওয়ার জন্য হঠাৎ চিৎকার করে ওঠেন। তার এমন অস্বাভাবিক আচরণে বিমানের যাত্রীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ক্রুরা দরজা খুলে মেয়েটিকে নামিয়ে দেন।
ওই বিমানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ যাত্রী ছিলেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনার জনসভা শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি আজমল হুদা বলেন, বিমান উড্ডয়নের সময় তরুণী চিৎকার দিয়ে বিমান থেকে নেমে এলে তাকে আটক করা হয়। আর বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে থাকা তার প্রেমিককে কিছুক্ষণ পরে আটক করেছিল পুলিশ।
