Sunday, February 5

মাত্র ২ মিনিটেই তৈরি করুন এই সুন্দর লাইট শেঠ। ভিডিওতে দেখুন

লাইট শেঠ
অনেকেই অনেক দাম দিয়ে লাইট শেঠ কিনেন ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে। আজকের ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে কিভাবে ঘরে বসে সহজেই লাইট শেঠ তৈরি করতে পারেন।

মাত্র ২ মিনিটেই তৈরি করুন এই সুন্দর লাইট শেঠ।-ভিডিওটি পোস্টের নিচে দেয়া আছে। সরাসরি ভিডিওটি দেখতে  স্ক্রল করে নিচে চলে যান।

অন্যরা যা পড়ছেঃ 

শরীরে রক্ত চলাচল বাড়াতে সহায়ক ৭টি প্রাকৃতিক উপাদান

১. মদপান ত্যাগ করুনঃ অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানে হৃৎপিণ্ডে সমস্যা হয়। সুতরাং আজই মদপান ত্যাগ করুন। তবে রেডওয়াইন জাতীয় হালকা মদ পান করা যেতে পারে। কেননা রেডওয়াইনে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রেখে রক্ত চলাচলে সহায়তা করে। তবে পরিমি পরিমাণে রেডওয়াইন খেতে হবে।

২. পর্যাপ্ত পানি পান করুনঃ দেহকে সচল রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করতে হবে। পানি আমাদের দেহ থেকে ট্রক্সিন বা বিষ বের করে দিতে সহায়ক। আর দেহকে যে কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় এড়িয়ে রক্তচলাচল স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

৩. বাদাম খানঃ কাজুবাদাম এবং আখরোট খেলে রক্ত চলাচল বেগবান হয়। ভিটামিন এ, বি, সি ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ বাদাম এবং ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম খেতে হবে। বাদাম ধমনীতে প্রদাহ এবং পঁচনজনিত ক্ষয়রোধ করে রক্ত চলাচল বাড়ায়।

৪. গ্রিন টিঃ দুধ চা না খেয়ে বরং গ্রিন টি খান। যা আরো বেশি স্বাস্থ্যকর এবং দেহের কার্যক্রমতে উদ্দীপিত করে। গ্রিন টি রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে প্রশস্ত করে যার ফলে রক্ত প্রবাহের গতিও বাড়ে।

৫. স্নায়ু উত্তেজক উপাদান এড়িয়ে চলুনঃ ক্যাফেইন এর মতো স্নায়ু উত্তেজক উপাদান এড়িয়ে চলুন। তাহলে কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়াই আপনার দেহের সব অংশে রক্তচলাচল করতে পারবে। ক্যাফেইন শরীরকে শুষ্ক করে তোলে। কিন্তু রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য শরীরকে আর্দ্র রাখা জরুরি।

৬. লবণ খাওয়া কমানঃ অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তচাপ বাড়ে এবং স্ফীতি দেখা দেয়। যার ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এজন্য ক্যানজাত খাবারের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফ্রিজে জমাট খাবার, কেচাপ সস বাদ দিতে হবে। কেননা এসবে উচ্চমাত্রায় সোডিয়াম থাকে।

৭. রসুন, আদা, পেঁয়াজঃ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসুন, আদা এবং পেঁয়াজের পরিমাণ আরেকটু বাড়ান। এসব আপনার রক্ত চলাচল প্র্রক্রিয়ার স্বাস্থ্য উন্নত করবে। এছাড়া এসবে আছে প্রদাহরোধী এবং জীবাণুরোধী উপাদান যা হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। এছাড়া রোগ-জীবাণুর সংক্রমণের বিরুদ্ধেও কাজ করে এবং দেহকে বিষমুক্ত করে এসব উপাদান।

Leave a Reply