Thursday, June 4

আমার ভোট আমি দিব, তোমার ভোটও আমি দিবো, সব ভোট নৌকায় দিবো : পার্থ

আমার ভোট আমি দিব- চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে গত ২৯ মার্চ দুপুরে ভোটকেন্দ্রের বাইরে অস্ত্র হাতে মহড়া। আওয়ামী লীগের সমর্থক এক কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর (নারী) অনুসারী ও ওয়ার্ডের বেচাশাহ রোডে ওই প্রার্থীর বাড়ির সামনে অস্ত্রধারী আরও কয়েকজন যুবকের ছবিসহ সংবাদ একটি জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এখন নির্বাচন মানেই সংঘর্ষ এবং কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেওয়া। ভোট ছাড়া নির্বাচিত হওয়ার প্রবণতা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত।

গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সরকারের ১৩৩টি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে অনেক এলাকায় কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, পাল্টাপাল্টি ধাওয়াসহ নানা ঘটনা ঘটেছে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ভোটের আগের রাতে ব্যালট ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদলের এক নেতা নিহত হয়েছেন।

১৩৩টি নির্বাচনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ৪৭টি এবং বিভিন্ন পদে উপনির্বাচন বা স্থগিত নির্বাচন ৭২টি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন ১টি, পৌরসভা নির্বাচন ৪টি ও বিভিন্ন পদে উপনির্বাচন বা স্থগিত নির্বাচন ৭টি এবং খুলনা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাধারণ ওয়ার্ডের ১টি করে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সেই সংবাদটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ লেখেন, ‘আমার ভোট আমি দিব, তোমার ভোটও আমি দিবো, সব ভোট নৌকায় দিবো।’

তিনি আরো লেখেন, ‘বাহ!… কি সুন্দর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এর নমুনা। তারপরও নেতারা গলা ফাটিয়ে ফাটিয়ে বলবে নির্বাচন খুব ভাল হয়েছে …। অনেকে আবার বলবে একশ কেন্দ্রে যদি দশটায় কারচুপি হয় তারমানে নব্বই শতাংশ নির্বাচন ভাল হয়েছে।’

পার্থ লেখেন, ‘নির্বাচন কমিশন যতই বলার চেষ্টা করুক যে দলীয় সরকারের অধীনে সূষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব বাস্তবে তা অসম্ভব। দলীয় সরকারের অধীনে সরকারের কর্মী বাহিনীর মানসিকতাই উগ্র থাকে এবং তারা জানে আর বিশ্বাস করে যে নির্বাচনে কারচুপির বিচার হয় না।

তা ছাড়াও প্রশাসনও খুব একটা সরকার দলের কর্মীদের বীরুধে যেতে চায় না। তাই সূষ্ঠ অ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন যে কোন দলীয় সরকারের অধীনে অসম্ভব।’

Leave a Reply