তাদের ‘অপেক্ষার শেষ সময়’
জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় শহরের মতোই উন্নত একটি গ্রাম। গ্রামের বড় বাড়িগুলোর মধ্যে মিয়াজি বাড়ি বেশ নাম করা। মিয়াজি বাড়ির আঃ বাছেদ মিয়াজি ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার থাকাকালীন একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে একদিন রাতে বাড়ি ফিরেন।
চলার পথেই হঠাৎ শিশুর কান্নার আওয়াজ পান। কাছে গিয়ে দেখেন এক বছর বয়সী একটি মেয়ে শিশু কাঁদছে। শিশুটিকে কোলে নিয়ে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। শিশুটিকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে যায় নিজের বাড়িতে। আজ সেই শিশুটি হাওয়াইন গিটারে স্বর্ণপদক নিয়ে ভোলায় আসছে।
সন্ধ্যায় লঞ্চে এসে কেবিনে ব্যাগ রেখে বাইরে দাঁড়ায় সাজিদ। কিছুক্ষণ পর চোখে পড়ে অষ্টাদশী কন্যা তুলি আপন মনে দাঁড়িয়ে আছে। রাতে ক্যান্টিনে আবারও দেখা হয় তাদের। তুলির ফোনের কথোপকথোনে সাজিদ জানতে পারে তুলি হাওয়াইন গিটারে স্বর্ণপদক পায়। লঞ্চ থেকে নেমে জোনাল অফিসে প্রবেশ করে সাজিদ। কাজে মন বসছে না তার। চোখের সামনে শুধু তুলির মুখ ভাসে। ভালোবেসে ...









