Thursday, June 4

আন্তর্জাতিক

সরিয়ে নেয়া হচ্ছে রোহিঙ্গাদের – কোথায় নেওয়া হচ্ছে তাদের.. পড়ুন বিস্তারিত

সরিয়ে নেয়া হচ্ছে রোহিঙ্গাদের – কোথায় নেওয়া হচ্ছে তাদের.. পড়ুন বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বনভূমিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রশাসন ইতোমধ্যে মূল সড়কের পাশের পাহাড় থেকে বসতিগুলো তুলে দিয়েছে। তবে বড় সড়ক থেকে খানিকটা দূরের অধিকাংশ পাহাড়েই এখনো হাজার হাজার রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নভাবে রয়েছে। বুধবার দেশের একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়। কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) মোহাম্মদ আলী কবীর জানান, ‘পাহাড়ি এলাকায় তাবু করে অনেক রোহিঙ্গা এখনও বসবাস করছে। তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে সরকারের নির্ধারিত ২ হাজার একর জমিতে নিয়ে আসার কাজ চলছে। আশা করি সবাইকে ঠাঁই দেয়া সম্ভব হবে। বিচ্ছিন্নভাবে কাউকে বসবাস করতে দেয়া হবে না। সরকার নির্ধারিত জায়গায় না আসলে ত্রাণসহ অন্যান্য সুবিধাদি বন্ধ হয়ে যাবে। ’ বনবিভাগের এক জরীপে দেখা গেছে- উখিয়া ও টেকনাফের বালুখালী, তাজমিনার ঘোনা, নকরারবিল, কেরনতলী, পুটিবুনিয়া...
রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে মা ও মেয়ের  যে কাহিনী দেখে কাদলেন সবাই…

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে মা ও মেয়ের যে কাহিনী দেখে কাদলেন সবাই…

আন্তর্জাতিক
‘অন্যদের সঙ্গে ত্রাণ নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিল ক্ষুধায় বিধ্বস্ত ক্লান্ত শ্রান্ত দুটি মুখ। আচমকা দেখে পেতেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ভেঙে পড়লেন কান্নায়। তাদের দেখে কাঁদছেন আশপাশে স্বজন হারানো আরও অনেক নারী।’ এটি কোন নাটক সিনেমার দৃশ্য নয়, এ যেন হারিয়ে যাওয়া মেয়ের সঙ্গে এক রোহিঙ্গা মায়ের মিলনের দৃশ্য। শুক্রবার একটি ত্রাণের লাইন মিলিয়ে দিল একে অপরকে হারিয়ে ফেলা এই রোহিঙ্গা মা-মেয়েকে। তাদের সেই মর্মস্পর্শী দৃশ্য দ্রুতই মোবাইলের ক্যামেরায় ধরে রাখলেন বর্তমানে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের হয়ে রোহিঙ্গা সংকটে কাজ করার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ) আবদুস সামাদ শিকদার। মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে বেশ কিছুদিন আগে পৃথক দলের সঙ্গে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন এই ‍দুই রোহিঙ্গা নারী। সম্পর্কে তারা মা-মেয়ে। এরপর থেকে মা জানতেন না মেয়ে কি তার বেঁচে আ...
রোহিঙ্গাদের রক্ষায় এবার এক সঙ্গে সাত শক্তিশালী দেশ !

রোহিঙ্গাদের রক্ষায় এবার এক সঙ্গে সাত শক্তিশালী দেশ !

আন্তর্জাতিক
রোহিঙ্গাদের রক্ষায় এবার এক সঙ্গে সাত শক্তিশালী দেশ। আর তাই মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার ব্যাপারে আলোচনার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আগামি সপ্তাহে বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশ। সাতটি দেশের মধ্যে মিসর, কাজাখস্তান, সেনেগাল এবং সুইডেনও রয়েছে। এই সাতটি দেশ চায়, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাণ্ডবের ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিব অান্তোনিও গুতেরাস যেন বিবৃতি দেন। জাতিসংঘের হিসাব মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাত থেকে জীবন বাঁচাতে চার লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী; উগ্র বৌদ্ধরাও গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়ে লুটপাট করছে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শিশু-বৃদ্ধ সবাইকে গণহারে হত্যা করছে দেশটির সেনারা; নির্যাতনের পর হত্যা করা হচ্ছে নারীদের। ...
ঘনিয়ে এসেছে বিপদ, ভারতকে সতর্ক করল নাসা ও ইসরো

ঘনিয়ে এসেছে বিপদ, ভারতকে সতর্ক করল নাসা ও ইসরো

আন্তর্জাতিক
এশিয়ার আকাশে ঘনিয়ে এসেছে বিপদ। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে যৌথ বিবৃতি দিয়ে এরকমই জানিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো ও মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে- এশিয়ার আকাশের ওপর তৈরি হয়েছে এরোসেল স্তর। কিন্তু কী এই এরোসেল? প্রশ্ন উঠছে। কতটা ক্ষতি করতে পারে এরোসেল, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এই এরোসেলের সঙ্গে পাওয়া গেছে নাইট্রেটের উপস্থিতি। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যানবাহন থেকে নির্গত দূষিত গ্যাস, বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার জন্য তৈরি হওয়া গ্যাস, পরিবেশে উৎপাদিত নানা দূষিত গ্যাসের সংমিশ্রণে তৈরি হয় এই স্তর। ট্রপোস্ফিয়ারের উপরে ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচে এই এরোসেলের স্তর তৈরি হয়। ভূপৃষ্ঠের ১৬.৫ কিলোমিটার থেকে ১৮.৫ কিলোমিটারের মধ্যে তৈরি হয়েছে নাইট্রেট সমেত এরোসেলের স্তর। এই স্তর মূলত তৈরি হয়েছে ০.২৫ মাইক্রনেরও কম আয়তনের কণা ও বাকি উদ্বায়ী গ্যাস দিয়ে।...
রাখাইনে গিয়ে যা দেখলেন বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক

রাখাইনে গিয়ে যা দেখলেন বাংলাদেশের দুই সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের দুজন সাংবাদিক মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন। ২৫ আগস্টের পর বিদেশি কয়েকজন সাংবাদিক মিয়ানমার সরকারের সহায়তায় রাখাইনে প্রবেশ করেন। কিন্তু বাংলাদেশের এই দুই সাংবাদিক রাখাইনে যান নিজের চেষ্টায়। মিয়ানমারের রাখাইনে প্রবেশ করা সর্বশেষ বাংলাদেশি সাংবাদিক হলেন অনলাইন পত্রিকা ‘বাংলাট্রিবিউন’ এর সাংবাদিক আমানুর রহমান রনি। তিনি গত বৃহস্পতিবার (২১-০৯-১৭) বিকেলের দিকে বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে রাখাইনের তমব্রু এলাকায় প্রবেশ করেন। ফিরে আসেন সন্ধ্যার আগেই। তিনি সেখানে দুই ঘণ্টা অবস্থান করে পাঁচটি পাড়া ঘুরে দেখেন। ছবি তোলেন। ভিডিও করেন। আর ওই পাঁচটি পাড়ায়ই তিনি দেখেছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং মগদের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। আর তি আমানুর বলেন, ‘এর আগেও আমি রাখাইনে প্রবেশের চেষ্টা করেছি। নিরাপত্তার দিক নিশ্চিত না হওয়ায় প্রবেশ করতে পারিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম দ...
৩০ সেকেন্ডের যুদ্ধে পাঁচটি ভারতীয় হকার হান্টার জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে এম এম আলম !

৩০ সেকেন্ডের যুদ্ধে পাঁচটি ভারতীয় হকার হান্টার জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে এম এম আলম !

আন্তর্জাতিক
যদি শান্তি চাও তবে যুদ্ধের প্রস্তুতি নাও’। বাংলাদেশীরা জাতিগতভাবেই শান্তিপ্রিয়। তবে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী যুদ্ধ করতে পারে কি না, তা জানার জন্য গবেষক হওয়ার প্রয়োজন নেই। The soldier above all others prays for peace, for it is the soldier who must suffer and bear the deepest wounds and scars of war- General of the US Army MacArthur শান্তিবাহিনীকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে, দীর্ঘ দুই যুগ ন্যূনতম সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কিভাবে বৃহৎ শক্তি আশ্রিত শান্তিবাহিনীকে রুখে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের রেকর্ড ঘাটলে দেখা যাবে, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার সৈনিকেরা জীবন পণ করে কিভাবে যুদ্ধ করেছে লাহোরসহ অন্যান্য সেক্টরে। ওই যুদ্ধে প্রথম ইস্ট বেঙ্গলে কর্মরত তদানীন্তন মেজর জিয়াউর রহমান পাক সশস্ত্রবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব হিলাল-ই জুরাত পেয়েছিলেন (অবশ্য বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ...
জেনে নিন, যে চার কারণে রোহিঙ্গাদের অপছন্দ করে মিয়ানমার!

জেনে নিন, যে চার কারণে রোহিঙ্গাদের অপছন্দ করে মিয়ানমার!

আন্তর্জাতিক
১. বর্ণবাদী মানসিকতা: মানবাধিকারকর্মীদের মতে, রোহিঙ্গাদের পছন্দ না করার মূল কারণ হলো জাতীয়তাবাদ উৎসারিত বর্ণবাদ। ২. ভিন্ন ধর্ম : মানবাধিকারকর্মী ও বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন ইউকের প্রেসিডেন্ট তুন খিন বলেন, ‘মিয়ানমারের উগ্র জাতীয়তাবাদীদের সহজ লক্ষ্য রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গারা একটি ভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী এবং এদের চেহারা ও ধর্ম—দুই-ই ভিন্ন। সুতরাং রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করাও সহজ।’ ৩. ব্রিটিশ শাসকদের অধীনে সেনা হিসেবে নিয়োগ : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুসলিমদের সেনা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল ব্রিটিশরা। অন্যদিকে বৌদ্ধ ও অন্যান্য সম্প্রদায় জাপানের পক্ষ নিয়েছিল। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, জাপানের সঙ্গে মিলে মিয়ানমার থেকে ঔপনিবেশিক শক্তিকে তাড়ানো। আর এই জায়গাতেই সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ও সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়। ৪. বাঙালি মনে করা : মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলছেন, ‘রোহিঙ্গা...
ব্রেকিং নিউজ ! পাল্টাপাল্টি হামলা চালাতে যাচ্ছে দুই দেশ !

ব্রেকিং নিউজ ! পাল্টাপাল্টি হামলা চালাতে যাচ্ছে দুই দেশ !

আন্তর্জাতিক
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে ভাষণ দিতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ উপস্থিত থাকছেন উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীও৷ অ্যামেরিকা সে দেশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ উত্তর কোরিয়াকে বশে আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগ এখনো তেমন সফল হয়নি৷ জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে সে দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় সায় দিলেও চীন ও রাশিয়া এই সঙ্কটের মুখে নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে৷ শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর সোমবার উত্তর কোরিয়ার কাছেই এই দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়ে শক্তি প্রদর্শন করছে৷ ওখোটস্ক সাগরের দক্ষিণে দুই দেশের নৌবাহিনী দ্বিতীয় পর্বের মহড়া চালাচ্ছে৷ এর আগে বাল্টিক সাগরে প্রথম পর্বের মহড়া হয়েছিল৷ অ্যামেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার সমরসজ্জাকে চীন ও রাশিয়া হুমকি হিসেবে দেখছে৷ তাই উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষকেই সামরিক আস্ফালন কমানোর প্...
ক্ষমতা হারিয়ে যেকোন মুহুর্তে গ্রেফতার সু চি!

ক্ষমতা হারিয়ে যেকোন মুহুর্তে গ্রেফতার সু চি!

আন্তর্জাতিক
‘সু চির অবস্থান নড়বড়ে। মিয়ানমারে গণতন্ত্র এখনও ভঙ্গুর। সুচি ২০১৫ সালের নির্বাচনে জয় পেলেও এখন সেনাশাসন ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ডার্ক ফোর্স। একটি ভুল পদক্ষেপেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন, মিয়ানমারে গণতন্ত্রের স্বপ্নের মৃত্যু ঘটতে পারে এবং যেকোন মুহুর্তে গ্রফতার হতে পারেন’ বৃহস্পতিবার টাইম ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়ানমারের ক্যাথলিক ধর্মগুরু কার্ডিনাল চার্লস মং বোসেনা এসব কথা বলেন। টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে মিয়ানমারে ফের সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা সঙ্কটকে ঘিরে অং সান সুচিকে ফাঁদে ফেলে সেনাবাহিনী ফের ক্ষমতা দখল করতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের ৭০ বছরের ইতিহাসে ৫৫ বছরই শাসন করেছে সেনাবাহিনী। সেনারা সুচিকে দীর্ঘ ১৫ বছর গৃহবন্দি রেখেছিল। ২০১৫ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ক্ষমতায় এলেও সে...